একনজরে ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা উমর (রা.)

একনজরে ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা উমর (রা.)

যার ইসলাম গ্রহণের পর থেকে মুসলমানরা শক্তিশালী হয়ে ওঠে, প্রকাশ্যে কাবা শরিফের সামনে নামাজ আদায়ের সুযোগ পায়। যিনি অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে অর্ধ পৃথিবী শাসন করেন, শাসকদের জন্য উত্তম আদর্শ হয়ে আছেনÑতিনি হলেন ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা, ফারুকে আজম উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.)। চলুন এই মহান সাহাবিকে সংক্ষেপে জেনে নিই ।

* পূর্ণ নাম : উমর ইবনুল খাত্তাব ইবন নুফাইল আল-কুরাইশী আল-আদাবি

বিজ্ঞাপন

* কুনিয়াত : আবু হাফস

* উপাধি : আল-ফারুক

* গোত্র : বনু আদী (কুরাইশ)

* জন্ম : প্রায় ৫৮৪ খ্রিষ্টাব্দ, মক্কা

* শাহাদত : ২৩ হিজরি (৬৪৪ খ্রিষ্টাব্দ), মদিনা (ফজরের সালাতে এক পার্সিয়ান ক্রীতদাসের ছুরিকাঘাতে শাহাদত লাভ করেন)

বিশেষ মর্যাদা

১. নবীদের পরে এই উম্মতের দ্বিতীয় শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি।

২. ইসলাম গ্রহণের মাধ্যমে মুসলিমদের শক্তি বৃদ্ধি পায়।

৩. নবী (সা.)-এর অন্যতম শ্রেষ্ঠ পরামর্শদাতা।

৪. জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত দশ সাহাবির একজন।

৫. তাঁর মতের সমর্থনে কোরআনের কয়েকটি আয়াত নাজিল হয়েছে।

৬. মুসলিম উম্মাহর দ্বিতীয় খলিফা নির্বাচিত হন।

৭. তাঁর শাসনামলে শাম, ইরাক, মিসর ও পারস্যের বিশাল অঞ্চল ইসলামি রাষ্ট্রে অন্তর্ভুক্ত হয়।

৮. হিজরি সন প্রবর্তন, বিচার বিভাগ, বায়তুল মালসহ বহু প্রশাসনিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেন।

উমর (রা.) সম্পর্কে মহানবী (সা.) অনেক মর্যাদা ও বিশেষ গুণের কথা বলেছেন। উমর (রা.) সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কিছু বিখ্যাত হাদিসÑ

• রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘আল্লাহতায়ালা উমরের জবানে ও হৃদয়ে সত্য প্রতিষ্ঠা করে দিয়েছেন।’ (তিরমিজি : ৩৬৮২)

• নবী (সা.) বলেছেন, ‘যে পথে উমর চলেন, শয়তান সে পথ ছেড়ে অন্য পথে চলে যায়।’ (বুখারি : ৩৬৮৩)

• নবী (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মতদের মধ্যে এমন কিছু লোক ছিল, যাদের ইলহাম বা আসমানি ইঙ্গিত দেওয়া হতো (তারা নবী না হয়েও ওহির মতো সঠিক জ্ঞান পেত)। যদি আমার উম্মতে এমন কেউ থেকে থাকে, তবে সে হলো উমর।’ (বুখারি ও মুসলিম)

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন