জয়টা প্রায় হাতের মুঠোয় চলে এসেছিল বায়ার্ন মিউনিখের। দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও দারুণ প্রত্যাবর্তনে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়েছিল জার্মান জায়ান্টরা। কিন্তু শেষ দিকে মাইকেল অলিসের লাল কার্ডে ম্যাচের চিত্র পাল্টে যায়। একজন কম নিয়ে খেলার সুযোগ কাজে লাগিয়ে শেষ মুহূর্তে গোল করে বায়ার্নকে জয়ের আনন্দ থেকে বঞ্চিত করেছে নরওয়ের ক্লাব ভাইকিং। উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচটি শেষ হয়েছে ৩-৩ সমতায়।
মঙ্গলবার ভাইকিংয়ের মাঠে ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল স্বাগতিকেরা। মাত্র ৭২ সেকেন্ডে কর্নার থেকে হেডে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন গিয়ানি স্টেননেস। প্রথমার্ধের ৩৮ মিনিটে পিটার ক্রিশ্চিয়ানসেনের গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ করে ভাইকিং। দুই গোলে পিছিয়ে থেকেই বিরতিতে যেতে হয় বায়ার্নকে।
তবে দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ায় সফরকারীরা। বিরতির পরপরই বক্সের মধ্যে কনরাড লাইমার ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টি পায় বায়ার্ন। স্পটকিক থেকে গোল করে ব্যবধান কমান হ্যারি কেইন। ৬০ মিনিটে জশুয়া কিমিখের ক্রস থেকে হেডে নিজের দ্বিতীয় গোল করে দলকে সমতায় ফেরান ইংলিশ অধিনায়ক।
এরপরও আক্রমণের ধার কমায়নি বায়ার্ন। কেইনের দারুণ এক চিপ থেকে তৈরি হওয়া আক্রমণ কাজে লাগিয়ে গোল করেন লুইস দিয়াজ। তাতে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে যায় জার্মান ক্লাবটি। দুই গোলের ঘাটতি পেরিয়ে জয়ও তখন প্রায় নিশ্চিত মনে হচ্ছিল তাদের।
কিন্তু শেষ দিকে নিজের ভুলে দলকে বিপদে ফেলেন অলিস। ফাউলের জন্য হলুদ কার্ড দেখার পর ভাইকিং অধিনায়ক জ্লাতকো ত্রিপিচের মুখের দিকে বল ছুড়ে মারেন ফরাসি উইঙ্গার। রেফারির সামনে এমন আচরণের শাস্তি হিসেবে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় তাঁকে। ফলে ম্যাচের শেষ ১৬ মিনিট ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় বায়ার্নকে।
সংখ্যায় কমে যাওয়ার সুযোগ কাজে লাগায় ভাইকিং। ম্যাচের শেষ মিনিটে হারমান হাউগেন গোল করে স্বাগতিকদের সমতায় ফেরান। শেষ পর্যন্ত ৩-৩ গোলের ড্র নিয়েই মাঠ ছাড়ে নরওয়ের চ্যাম্পিয়নরা। আর দুই গোলে পিছিয়ে থেকেও ম্যাচে এগিয়ে যাওয়া বায়ার্নকে সন্তুষ্ট থাকতে হয় এক পয়েন্ট নিয়ে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

