হাতে ৫ উইকেট, জয়ের জন্য স্কটল্যান্ডের দরকার ছিল ২৪ বলে ৫১। তবে ১৭তম ওভারে বল করতে এলে সব হিসেব এলোমেলো করে দিলেন রোমারিও শেফার্ড। ১ ওভারে মাত্র ১ রান খরচ করে হ্যাটট্রিকসহ ৪ উইকেট তুলে নিয়ে থামিয়ে দিলেন স্কটল্যান্ডকে। ৩৫ রানের জয়ে বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু করলো সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। আগে ব্যাট করে হেটমায়ারের ৬৪ রানে ভর করে ৫ উইকেটে ১৮২ রানের সংগ্রহ পায় উইন্ডিজরা। জবাবে, ১৪৭ রানে থামে স্কটল্যান্ডের ইনিংস।
বাংলাদেশের বদলি হিসেবে শেষ মুহূর্তে বিশ্বকাপে ডাক পায় স্কটল্যান্ড। ফলে প্রস্তুতি নেওয়ার পর্যাপ্ত সময়টাও পায়নি স্কটিশরা। এমন দূর্বল প্রতিপক্ষের বিপক্ষে উইন্ডিজ সহজ জয় পাবে- এটাই কাম্য ছিল। তবুও মাঝে খানিকটা ভীতি ছড়ায় স্কটল্যান্ড। ৪র্থ উইকেট জুটিতে ৭৮ রান যোগ করেন রিচি বেরিংটন ও টম ব্রুস। বেরিংটন ২৪ বলে ৪২ রান করে ফিরলে ভাঙে এই জুটি। পরে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে স্কটল্যান্ড।
এক ওভারে চার উইকেট নিয়ে স্কটিশদের একাই গুড়িয়ে দেন রোমারিও শেফার্ড। ম্যাচের ১৭তম ওভারে ম্যাথু ক্রস, মিচেল লিস্ক ও ওলিভার ডেভিডসনকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন। এক বল বিরতি দিয়ে ফেরান শাফায়ান শরীফকে। তাতে ১৪৭ রানে গুটিয়ে যায় স্কটিশদের ইনিংস।
এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে পাওয়ার প্লেতে মাত্র ৩৩ রান তোলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৯ম ওভারে দলীয় ৫৪ রানের মাথায় ফেরেন ওপেনার শাই হোপ। তার বিদায়ের পর উইকেটে এসে ঝড় তোলেন শিমরন হেটমায়ার। ৩৬ বলে ৬৪ রান করেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। তার ১৭৭ স্ট্রাইক রেটের এই ইনিংসে ছিল দুই চার ও ছয় ছক্কা। মূলত তার দারুণ ওই ঝড়ো ইনিংসে সাহস পায় অন্য ক্যারিবিয়ান ব্যাটাররা। রভম্যান পাওয়েল ১৪ বলে ২৪ ও শেরফন রাফারদোর্ড ১৩ বলে করেন ২৬ রান। তাতে ১৮২ রানে থামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংস। স্কটল্যান্ডের হয়ে ব্র্যাড কুরি ২৩ রানে নেন দুই উইকেট।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
ওয়েস্ট ইন্ডিজ- ১৮২/৫, ২০ ওভার (হেটমায়ার ৬৪, কিং ৩৫, কুরি ২/২৩)
স্কটল্যান্ড- ১৪৭/১০, ১৮.৫ ওভার (বেরিংটন ৪২, ব্রুস ৩৫, শেফার্ড ৫/২০)
ফল- ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৩৫ রানে জয়ী।
ম্যাচসেরা- শিমরন হেটমায়ার।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

