সরাসরি

শেষদিনে পাকিস্তানের দরকার ১২১ রান, বাংলাদেশের ৩ উইকেট

১৭: ৩২, মে ১৯

পাকিস্তানের দরকার ১২১ রান, বাংলাদেশের ৩ উইকেট

ব্যাট-বলে দিনটা দুই দলই দারুণ কাটিয়েছে। ৮৪ ওভারে ৭ উইকেটে ৩১৬ রান তুলেছে পাকিস্তান। অন্যদিকে বাংলাদেশের শিকার ছিল ৭ উইকেট। সব মিলিয়ে বলা যায় দিনটা অম্ল-মধুর ছিল দুই দলের জন্য।

শেষ দিনে নির্ধারিত হবে কে জিতবে এই ম্যাচ। জয়ের জন্য বাংলাদেশের দরকার আর মাত্র ৩ উইকেট। ক্রিজে আছেন স্বীকৃত ব্যাটার মোহাম্মদ রিজওয়ান। তার ব্যাটে এসেছে ৭৫ রান। বাকিরা সবাই টেল এন্ডার। তাতে বাংলাদেশ আশাবাদী ম্যাচ জয়ের ব্যাপারে। অন্যদিকে পাকিস্তানের দরকার আরও ১২১ রান। কাজটা কঠিন, তবুও চেষ্টা চালাবে তারা।

১৭: ১৭, মে ১৯

সালমানের পর ফিরলেন হাসান

সালমান আগাকে দারুণ এক আর্মার ডেলিভারিতে ফিরিয়েছিলেন তাইজুল ইসলাম। এবার প্রায় একই ধরনের ডেলিভারিতে ফিরেছেন হাসান আলী। উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন তিনি। এটা তাইজুলের তৃতীয় শিকার

১৭: ০৯, মে ১৯

আউট সালমান

মোহাম্মদ রিজওয়ানকে সঙ্গে নিয়ে ১৩৪ রানের জুটি গড়েছিলেন সালমান আগা। তার ব্যাটে এসেছিল ৭১ রান। দারুণ ব্যাটিং করা এই ব্যাটারকে দ্রুতগতির এক আর্মার ডেলিভারিতে বোল্ড করেন তাইজুল।

১৬: ৪০, মে ১৯

রিজওয়ানের পর সালমানের ফিফটি

পাকিস্তান- ২৭১/৫, ৭৪ ওভার

মোহাম্মদ রিজওয়ানের পর ফিফটির দেখা পেয়েছেন সালমান আগা। ক্যারিয়ারের ১২তম ফিফটির দেখা পেয়েছেন তিনি।

দুজন মিলে ৬ষ্ঠ উইকেট জুটিতে যোগ করেছেন ১০৯ রান।

১৫: ৩৬, মে ১৯

শান মাসুদের বিদায়ের পর থিতু রিজওয়ান-সালমান

পাকিস্তান- ২২৭/৫, ৬১ ওভার

৭১ রান করে আউট হন শান মাসুদ। এরপরেই ৬ষ্ঠ উইকেট জুটিতে উইকেটে থিতু হয়েছেন মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আগা। এখন পর্যন্ত এই দুইজন ৬ষ্ঠ উইকেট জুটিতে যোগ করেন ৬৫ রান।

১৩: ১৫, মে ১৯

ফিরলেন বাবর আজম

পাকিস্তান- ১৩৩/৩, ৩৫ ওভার

তাইজুল ইসলামের বলটা পেছনে দিয়ে বের হয়ে যাচ্ছিলো। ওয়ানডে স্টাইলে ব্যাট চালানো বাবর আজম ওই বল ফ্লিক করে পেছনে পাঠানোর চেষ্টা করেছিলেন। তবে উইকেটের পেছনে থাকা লিটন দাস ভুল করেননি। বল তালুবন্দি করে নেন। তাতে আউট হন বাবর আজম। ৫২ বলে ৪৭ রান করে ফিরেছেন বাবর আজম।

১৩: ১২, মে ১৯

ফিফটি পেলেন শান মাসুদ

ক্যারিয়ারের ১৪তম ফিফটির দেখা পেয়েছেন শান মাসুদ। ৮২ বলে ফিফটি পূরণ করেন এই বাঁহাতি ব্যাটার।

অধিনায়কত্ব ও পারফরম্যান্স দুই কারণেই বেশ চাপের মুখে আছেন শান মাসুদ। এর মধ্যেই পেলেন ফিফটির দেখা। বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে তার ব্যাটে এলো প্রথম ফিফটি।

১২: ০৪, মে ১৯

শতরান তুলে মধ্যাহ্ন বিরতিতে পাকিস্তান

দুই ওপেনার আজান আওয়াইস ও আব্দুল্লাহ ফজলকে হারালেও রান তোলার গতি স্লথ হয়নি পাকিস্তানের। দুই অভিজ্ঞ শান মাসুদ ও বাবর আজম দারুণভাবে এগিয়ে নিচ্ছেন দলকে। দুজন মিলে তৃতীয় উইকেট জুটিতে যোগ করেছেন ৬০ রান। শেষ ১০ ওভারে তারা দুজনে রান তুলেছেন ওভার প্রতি ৬ করে।

তাদের এমন ব্যাটিংয়ে মধ্যাহ্ন বিরতিতে যাওয়ার আগে পাকিস্তানের সংগ্রহ ২৬ ওভারে ২ উইকেটে ১০১ রান। বাবর ২৪ ও শান মাসুদ ৪১ রানে অপরাজিত আছেন।

১১: ১৫, মে ১৯

মিরাজের বলে ফিরলেন আজান

পাকিস্তান- ৪১/২, ১৬ ওভার

মেহেদি হাসান মিরাজের করা ভেতরে ঢোকা বলটা বুঝতে পারেননি আজান আওয়াইস। তাতে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে আউট হয়েছেন তিনি। ফেরার আগে ৪৮ বলে ২১ রান করেছেন তিনি।

রিভিউ নিয়ে বাঁচার চেষ্টা করেছিলেন আজান আওয়াইস। তবে আম্পায়ার্স কল হওয়ায় সিদ্ধান্তে বদল আসেনি। আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরতে হয়েছে তাকে।

১১: ০০, মে ১৯

গুড ক্যাচ মিরাজ

সিলেট থেকে এম এম কায়সার

রাউন্ড দ্য উইকেটে এসে পাকিস্তানি ওপেনার আব্দুল্লাহ ফজলকে বল করছিলেন নাহিদ রানা। ডেলিভারিটা খুব একটা এক্সপ্রেসও ছিল না। ১৪১ কিলোমিটার গতিতে আসে বলটা। অফস্ট্যাম্পের বাইরে খানিটা শর্টে পড়া সেই বল লাফিয়ে উঠে বেশ। জায়গায় দাড়িয়ে শরীর ধেঁয়ে আসা সেই বলে স্টিয়ার করার চেষ্টা করেন ফজল। কিন্তু বল নিচে রাখতে পারেননি। ব্যাটের কানায় লেগে বল যায় গালি অঞ্চলে। সেখানে নিচু হয়ে আসা ক্যাচটা দক্ষতার সঙ্গে হাতে নেন মেহেদি হাসান মিরাজ। নিচের দিকে থাকায় সেটা ক্লিন ক্যাচ হলো কিনাÑ সেই সন্দেহ নিয়ে কিছুক্ষন উইকেটে দাড়িয়ে থাকেন ফজল। রিপ্লেতে পরিস্কার জানা গেল ওটা ক্লিন ক্যাচ।

চতুর্থদিনের সকালে এই প্রথম হাসল বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে ৯ এবং দ্বিতীয় দফায় ৬ রানে শেষ পাকিস্তানি ওপেনার আব্দুল্লাহ ফজলের সিলেট টেস্ট।

১০: ৪৫, মে ১৯

নাহিদের বলে ফজলের বিদায়, প্রথম উইকেট হারালো পাকিস্তান

১১তম ওভারের প্রথম বলে নাহিদ রানার বলে আউট হয়েছেন আব্দুল্লাহ ফজল। ২৮ বলে ৬ রান করেছেন তিনি।

নাহিদ রানার করা খানিকটা বাউন্সি ডেলিভারিতে বড় শট খেলার চেষ্টা করেছিলেন আব্দুল্লাহ ফজল। তার সেই চেষ্টা হয়েছে ব্যর্থ। বল সরাসরি চলে যায় শর্ট গালিতে দাঁড়ানো মেহেদি হাসান মিরাজের হাতে। তাতে আউট হয়ে ফিরতে হয়েছে তাকে। তাতে দলীয় ২৭ রানের মাথায় প্রথম উইকেট হারালো পাকিস্তান।

ক্রিজে নতুন ব্যাটার শান মাসুদ।

১০: ৪০, মে ১৯

১০ ওভারে পাকিস্তানের সংগ্রহ ২৭ রান

দুই ওপেনার আজান আওয়াইস ও আব্দুল্লাহ ফজল চতুর্থ দিনের শুরুটা করেছেন একটু আক্রমণাত্মকভাবে। দেখেশুনে খেলার পরিরবর্তে রান তুলতেই বেশি মনযোগী দেখা যাচ্ছে তাদের।

এমন আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ১০ ওভারে পাকিস্তানের সংগ্রহ ২৭ রান।

১০: ২০, মে ১৯

পাকিস্তানের শুরুটা আক্রমণাত্মক

পাকিস্তান- ২০/০, ৫ ওভার

ঝলমলো রোদ পুরো সিলেট স্টেডিয়াম জুড়ে। মেঘমুক্ত পরিস্কার আকাশ। সকালের প্রথম ওভার থেকে পাকিস্তান কিছুটা আক্রমনাত্মক কায়দায় ব্যাটিং শুরু করে। প্রথম তিন ওভারে পাকিস্তানের ওপেনাররা তিনটি বাউন্ডারি আদায় করে। জিততে হলে পাকিস্তানকে এই ভেন্যুতে বিশ্বরের্কড গড়তে হবে। টার্গেট ৪৩৭ রান। টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে আজ পর্যন্ত চতুর্থ ইনিংসে এতো বেশি রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড কারো নেই। ৪১৮ রান তাড়া করে ম্যাচ জেতার সেই বিশ্বরের্কড এখন পর্যন্ত ওয়েস্ট ইন্ডিজের। ২০০৩ সালে অ্যান্টিগা টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে এই বিশ্বরের্কড গড়েছিল ব্রায়ান লারার দল। সকালের শুরুর তিন ওভারে কোনো ক্ষতি ছাড়াই পাকিস্তান ২০ রান তুলে নেয়।

১০: ০৩, মে ১৯

বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমেছে পাকিস্তান

সিলেট টেস্টের তৃতীয় দিনের শেষ বেলায় দুই ওভার ব্যাটিং করেছিল পাকিস্তান। তবে দুই ওভারে কোন রান নিতে পারেনি সফরকারীরা। ৪৩৭ রান তাড়া করতে আজ ও কাল- পুরো দুই দিন সময় পাচ্ছে পাকিস্তান।

এই সময়ে ৪৩৭ রান তাড়া করতে পারে কি না সেটাই এখন দেখার অপেক্ষা। নাকি বাংলাদেশ দ্রুতই অলআউট করবে- সেটাও দেখার অপেক্ষায় ক্রিকেট প্রেমীরা।