অধিনায়ক জাকির হাসানের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি এবং বোলারদের নিয়ন্ত্রিত পারফরম্যান্সে জিম্বাবুয়ে ‘এ’ দলের বিপক্ষে ৮৫ রানের বড় জয় পেয়েছে বাংলাদেশ ইমার্জিং দল। বগুড়ায় অনুষ্ঠিত ম্যাচে আগে ব্যাট করে ৩৬৪ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে স্বাগতিকরা, জবাবে জিম্বাবুয়ে ‘এ’ দল থামে ২৭৯ রানে।
টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই শাহাদাত হাসানের উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। তবে সেই ধাক্কা সামলে ইনিংসের হাল ধরেন জাকির হাসান ও ইফতেখার হোসেন ইফতি। দ্বিতীয় উইকেটে তাদের দারুণ জুটিতে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয় বাংলাদেশ।
জাকির ৯৭ বলে ১১৯ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলেন। ৯ চার ও ৫ ছক্কায় সাজানো তার ইনিংসটি ছিল বাংলাদেশ ইনিংসের মূল ভিত্তি। অন্যদিকে ইফতি ৫৮ বলে ৭০ রান করে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। পরে অমিত হাসান, ইয়াসির আলি চৌধুরী ও আকবর আলিও কার্যকর ইনিংস খেলেন।
শেষদিকে সামিউন বশির রাতুলের ১১ বলে অপরাজিত ২১ রানের ঝোড়ো ক্যামিও বাংলাদেশের স্কোর আরও বাড়িয়ে দেয়। অতিরিক্ত ৩৪ রানসহ নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৩৬৪ রান তোলে বাংলাদেশ ইমার্জিং দল।
৩৬৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে জিম্বাবুয়ে ‘এ’ দল। ম্যাথিউ ক্যাম্পবেল ফিফটি করেন, আর ইনোসেন্ট কাইয়াও ভালো শুরু এনে দেন। তবে নিয়মিত উইকেট হারানোর কারণে ম্যাচে পিছিয়ে পড়ে সফরকারীরা।
এক প্রান্তে অবশ্য লড়াই চালিয়ে যান ওয়েসলি মাধেভেরে। জিম্বাবুয়ের এই ব্যাটার ৯৩ বলে ১১৬ রানের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি করেন। ১৩টি চার ও ৩টি ছক্কায় সাজানো ইনিংসে তিনি ম্যাচ জমিয়ে তোলার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু অন্য প্রান্তে পর্যাপ্ত সমর্থন না পাওয়ায় তার ইনিংসটি শেষ পর্যন্ত পরাজয় এড়াতে পারেনি।
বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণে সবচেয়ে সফল ছিলেন সামিউন বশির রাতুল ও রোহানাত দৌল্লাহ বর্ষণ। দুজনই তিনটি করে উইকেট শিকার করেন। এছাড়া আলিস আল ইসলাম দুটি এবং আব্দুল গাফফার সাকলাইন ও খালেদ আহমেদ একটি করে উইকেট নেন।
মাধেভেরের বিদায়ের পর দ্রুত গুটিয়ে যায় জিম্বাবুয়ের ইনিংস। ৪৮.৫ ওভারে ২৭৯ রানে অলআউট হয়ে ৮৫ রানের হার নিয়ে মাঠ ছাড়ে সফরকারীরা। জাকিরের ব্যাটিং নৈপুণ্য ও বোলারদের শৃঙ্খলিত পারফরম্যান্সে ম্যাচজুড়ে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছে বাংলাদেশ ইমার্জিং দল।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

