‘জাপান খুবই শক্তিশালী দল। তাদের হারাতে হলে আমাদের সেরাটা খেলতে হবে।’ ব্রাজিলের তরুণ উইঙ্গার রায়ানের কণ্ঠে ছিল সতর্কতার সুর। তবে সংবাদ সম্মেলনে যখন তার কাছে জাপানের সেরা খেলোয়াড়ের নাম জানতে চাওয়া হলো তখন রায়ানের অকপট স্বীকারোক্তি, ‘সত্যি বলতে আমি জানি না। ভিডিও দেখে তারপর বলতে পারব।’
বিশ্বকাপে রেকর্ড গড়ার কয়েকদিন পরই যেন নতুন ‘হোমওয়ার্ক’ পেয়ে গেলেন ১৯ বছর বয়সি এই ব্রাজিলিয়ান। আজ রাতে হিউস্টনে রাউন্ড অব ৩২-এ জাপানের মুখোমুখি হবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। সেই ম্যাচের আগে প্রতিপক্ষকে আরো ভালোভাবে জানার প্রস্তুতিতেই এখন ব্যস্ত রায়ান।
সংবাদ সম্মেলনে জাপানি টেলিভিশনের এক সাংবাদিক রায়ানের কাছে জানতে চান, জাপানের সেরা খেলোয়াড় কে? প্রশ্ন শুনে একটু অপ্রস্তুতই হয়ে পড়েন ১৯ বছর বয়সি ব্রাজিলের এই তরুণ উইঙ্গার। হেসে তিনি বলেন, ‘ফ্রেন্ড, আমি আসলে জানি না তাদের সেরা খেলোয়াড় কে। ভিডিও দেখার পরই বলতে পারব।’
হাইতির বিপক্ষে ম্যাচে রাফিনিয়া হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পাওয়ার পর সুযোগ পান বোর্নমাউথের এই উইঙ্গার। বদলি হিসেবে নেমে নজর কাড়ার পর স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ছিলেন শুরুর একাদশে। ম্যাচের সপ্তম মিনিটেই প্রতিপক্ষের এক ডিফেন্ডারের কাছ থেকে বল কেড়ে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের গোলে সহায়তা করেন রায়ান।
এই অ্যাসিস্টের মাধ্যমে ১৯৫৮ সালে পেলের পর বিশ্বকাপে ব্রাজিলের হয়ে সবচেয়ে কম বয়সে অ্যাসিস্ট করা খেলোয়াড়ের রেকর্ড গড়েছেন রায়ান। পাশাপাশি ১৯৭০ সালের পর ব্রাজিলের হয়ে বিশ্বকাপে শুরুর একাদশে নামা সবচেয়ে তরুণ ফুটবলারও তিনি।
রায়ান জানিয়েছেন, কোচ কার্লো আনচেলত্তি ফরোয়ার্ডদের রক্ষণেও সমান গুরুত্ব দিতে বলেন।
‘কোচ সব সময় বলেন, রক্ষণ শুরু হয় ফরোয়ার্ডদের দিয়েই। ক্লান্ত থাকলেও আমাদের প্রেসিং চালিয়ে যেতে হবে। আমি মনে করি রক্ষণভাগে আগের চেয়ে অনেক উন্নতি করেছি। আগে রক্ষণ, তারপর আক্রমণ। এখন একটি ছোট ভুলও ম্যাচের ভাগ্য বদলে দিতে পারে। তাই জাপানের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে আমাদের আরো ভালো প্রস্তুতি নিতে হবে,’ বলেন ব্রাজিলের এই তরুণ তারকা।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

