যদিও ম্যাচটি ছিল কেবলই প্রীতি ম্যাচ। এশিয়ান কাপের বাছাইয়ে ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে নিজেদের ঝালিয়ে নিতে নেপালের বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ। তবে শেষ মুহূর্তের গোলে জয়বঞ্চিত হয়েছে হাভিয়ের কাবরেরার দলকে। হামজা চৌধুরীর জোড়া গোলে এগিয়ে গিয়েও শেষ মুহূর্তে গোল খেয়ে ২-২ ব্যবধানে ড্র করার কারণ খুঁজতে গিয়ে সমীকরণ অমীমাংসিত রেখেছেন কোচ কাবরেরা। এই স্প্যানিশ কোচের মতে, শেষ মুহূর্তে গোল হজম ম্যাচের পরিস্থিতিতে হয়ে যায়।
শেষ মুহূর্তে বাংলাদেশের গোল হজমের ব্যাপারটি নতুন নয়। এর আগে অক্টোবরে হংকংয়ের বিপক্ষে ৩-৩ সমতায় শেষ হতে চলা ম্যাচে যোগ করা সময়ের ১১ মিনিটে গোল হজম করে ৪-৩ ব্যবধানে হেরে যান জামাল ভূঁইয়ারা। এবার নেপালের বিপক্ষেও একই বিপর্যয়। বৃহস্পতিবার রাতে নেপালের বিপক্ষে ম্যাচে বাংলাদেশ দলের শেষ মুহূর্তে গোল হজমের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে স্প্যানিশ কোচের জবাব, ‘আমি বলব না এটা মানসিক সমস্যা। অনুশীলনে আমরা শত শত বার এই ধরনের আক্রমণ ঠেকানোর অনুশীলন করি। ম্যাচে এমন ঘটনা ঘটতেই পারে।’
কোচের এই জবাবে প্রশ্ন এসেছে, তবে কি শেষ দিকে মনোযোগ কমে যাওয়ার কারণও হতে পারে? কাবরেরা সেটিও উড়িয়ে দিয়েছেন, ‘খেলোয়াড়রা ২৫ মিনিট নয়, ৯৫ বা ১০০ মিনিট পর্যন্ত ডিফেন্ড করতে চায়। আমরা গোল ঠেকানোর জন্য আমাদের সেরাটা দিচ্ছি, আবার প্রতিপক্ষও গোল করার জন্য তাদের সেরাটা দিচ্ছে। এটা দুদলের জন্যই সমানে সমান পরিস্থিতি।’ ভারতের বিপক্ষে ভুল সংশোধনের প্রত্যয় ফুটে উঠল তার কণ্ঠে, ‘আমরা ভুলগুলো বিশ্লেষণ করব, ভিডিও দেখে প্রস্তুতি নেব, যেন ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে এমনটা আর না ঘটে। আমাদের এখন চার দিন সময় আছে কাজ করার। এই সময়ে ভুলগুলো সংশোধন করার চেষ্টা করব।’

