ভারত ম্যাচে পাকিস্তানের সেরা ‘অস্ত্র’ হয়ে উঠতে পারেন স্পিনাররা। বিশেষ করে আবরার আহমেদ ও সাইম আইয়ুব। কলম্বোর উইকেট শুষ্ক। যখন উইকেট শুষ্ক হয়, তখন প্রচেষ্টা কাজে আসে। ব্যাক-স্পিন দিয়ে করা ক্যারম বল এখানে স্কিড করবে। আবরার ও সাইম—দুজনেই ব্যাক স্পিনে নির্ভরশীল। ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রেমাদাসায় সুবিধা পাবেন তারা।
শুকনো পিচে বল স্কিড করলে বোল্ড ও এলবিডব্লিউ—দুভাবেই উইকেট পাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। যদিও টি-টোয়েন্টি বোলিংয়ে কিছুটা বৈচিত্র্য আনা জরুরি। টি-টোয়েন্টিতে ব্যাটসম্যানরা দ্রুত শট খেলেন। ক্যারম বল পড়তে না পারলে, দেরিতে সামঞ্জস্য করা যায় না। তাদের দুজনেরই বোলিংয়ে দারুণ বৈচিত্র্য রয়েছে। টি-টোয়েন্টিতে এই বৈচিত্র্যটাই গুরুত্বপূর্ণ।
যদি ছয় বলই ক্যারম বল হয়, তাহলে ব্যাটসম্যানরা মানিয়ে নিতে পারবে। যদি চমক হিসেবেই স্কিড বল ব্যবহার করেন, ব্যাটসম্যান তখন ভড়কে যাবে। খুব কম ব্যাটসম্যানই এটি পড়তে পারে। আমি মনে করি, এখন আর ক্যারম বলের অপব্যবহার করেন না আবরার।
বরং ভারতীয় ভয়ংকর স্পিনার বরুণ চক্রবর্তীর মতো ভ্যারিয়েশনে যোগ করেছেন সাইড-স্পিন। কৌশল সহজ, কয়েকটি লোভনীয় ফ্লাইটেড বল, তারপর আচমকা আঘাত। সব কিছু মিলে দারুণ প্যাকেজ আবরার। তবে ব্যতিক্রমী বোলিং অ্যাকশনের জন্য ‘তুরুপের তাস’ হতে পারেন উসমান তারিকও।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

