ইনিংস হারের শঙ্কা এড়িয়ে অস্ট্রেলিয়ার লিড

ইনিংস হারের শঙ্কা এড়িয়ে অস্ট্রেলিয়ার লিড

ডারউইন টেস্টে নাটকীয় মোড়। একসময় ইনিংস ব্যবধানে হারের শঙ্কায় থাকা অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশকে পেছনে ফেলে লিড নিয়েছে। মেহেদী হাসান মিরাজের ঘূর্ণিতে একের পর এক উইকেট হারিয়েও ক্যামেরন গ্রিন ও মিচেল স্টার্কের প্রতিরোধে ঘুরে দাঁড়িয়েছে স্বাগতিকরা।

বিজ্ঞাপন

তৃতীয় দিনের খেলা শেষে ৪ উইকেটে ১৬১ রান নিয়ে চতুর্থ দিনের ব্যাটিং শুরু করেছিল অস্ট্রেলিয়া। দিনের শুরুতেই মিরাজের ঘূর্ণিতে দ্রুত তিন উইকেট হারায় তারা। অস্ট্রেলিয়ার স্কোর তখন ২০৭ রান, পড়ে গেছে ৭ উইকেট। বাংলাদেশের সামনে তখন ইনিংস ব্যবধানে জয়ের হাতছানি।

দিনের সপ্তম ওভারে অ্যালেক্স ক্যারিকে ফিরিয়ে গ্রিনের সঙ্গে ৫৬ রানের জুটি ভাঙেন মিরাজ। ৭২ বলে ৩০ রান করে লিটন দাসের ক্যাচ হন ক্যারি। এরপর ১৩ মাস পর টেস্টে ফিফটির দেখা পাওয়া ক্যামেরন গ্রিনকে বেশিক্ষণ সঙ্গ দিতে পারেননি বেউ ওয়েবস্টার। মিরাজের বলে বোল্ড হয়ে মাত্র ৫ রান করে ফেরেন তিনি। প্যাট কামিন্সও মাত্র ৮ রান করে সাদমান ইসলামের ক্যাচ তুলে দেন। তাঁকেও ফেরান মিরাজ। নতুন দিনে এটি ছিল মিরাজের তৃতীয় এবং ইনিংসে চতুর্থ উইকেট।

২০৭ রানে সপ্তম উইকেট হারানোর পরও হাল ছাড়েনি অস্ট্রেলিয়া। গ্রিনের সঙ্গে জুটি বাঁধেন মিচেল স্টার্ক। দুজন মিলে বাংলাদেশি বোলারদের হতাশ করে দলকে প্রথমে সমতায় ফেরান। ৭৯তম ওভারের শেষ বলে অস্ট্রেলিয়ার স্কোর ২২৮ হলে ম্যাচের লিড সমান হয়ে যায়।

এরপর আরও দুই বল পর এক রান নিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে এগিয়ে দেন গ্রিন। ফলে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ২২৮ রানের লিড মুছে দিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে স্বাগতিকরা লিড নেওয়া শুরু করে।

অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংস থেমেছিল মাত্র ১৯৮ রানে। জবাবে বাংলাদেশ তানজিদ হাসানের সেঞ্চুরি, নাজমুল হোসেন শান্তর অর্ধশতক এবং মেহেদী হাসান মিরাজের ফিফটিতে ৪২৬ রান করে ২২৮ রানের বড় লিড নেয়।

দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৭ রানে দুই ওপেনারকে হারিয়ে চাপে পড়লেও অস্ট্রেলিয়া শেষ পর্যন্ত লড়াইয়ে ফেরে। তৃতীয় দিনের শেষে ৪ উইকেটে ১৬১ রান নিয়ে তারা ৬৭ রানে পিছিয়ে ছিল। কিন্তু চতুর্থ দিনের প্রথম দেড় ঘণ্টায় মিরাজের দুর্দান্ত বোলিংয়ের পরও গ্রিন-স্টার্ক জুটি ম্যাচের চিত্র বদলে দিয়েছে।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন