লম্বা জুটি গড়ে উইকেটে থিতু হয়ে পড়েন মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আগা। তাদের ১০৯ রানের জুটি আভাস দিচ্ছিল দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ঘুরে দাঁড়িয়ে বড় সংগ্রহ দাঁড় করাতে যাচ্ছে পাকিস্তান। পাকিস্তানের ইনিংসের ৩৯ ওভারের চতুর্থ বলে অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজের উপস্থিত বুদ্ধিতে আউট হয়ে যান সালমান আগা। আউট হয়ে তর্ক-বিতর্ক হলেও নিয়মের মধ্যেই আউট হয়েছেন। তার বিদায়ের পর আর উইকেটে থিতু হতে পারেননি পাকিস্তানি ব্যাটাররা। অথচ, তখনো হুসেইন তালাত-আব্দুল সামাদের মতো ব্যাটাররা ছিলেন ব্যাটিংয়ে নামার অপেক্ষায়।
মেহেদি হাসান মিরাজের বলে মোহাম্মদ রিজওয়ান দারুণভাবে ডিফেন্ড করেন। সেই বলে ‘বিতর্কিতভাবে’ আউট হয়ে ফেরেন সালমান আগা। তিনি যখন ফেরেন তখন স্কোরবোর্ডে পাকিস্তানের রান ৪ উইকেটে ২৩১। ইনিংসের বাকি ১১.২ ওভার। উইকেটে থিতু হয়ে ছিলেন মোহাম্মদ রিজওয়ান। আর ক্রিজে আসেন হুসেইন তালাত। ব্যাটিংয়ে নামার অপেক্ষায় ছিলেন আব্দুল সামাদ ও ফাহিম আশরাফ। তবে সেই সুযোগটা আর কাজে লাগাতে পারেনি পাকিস্তান।
সালমান আগার বিদায়ের পর এক বল বিরতি দিয়ে ফেরেন থিতু হয়ে থাকা মোহাম্মদ রিজওয়ান। তিনি ফেরেন ৫৯ বলে ৪৪ রান করে। মেহেদি হাসান মিরাজের বলে ডিপ মিড উইকেটে রিশাদ হোসেনের কাছে ক্যাচ তুলে দেন রিজওয়ান। ১৯ বল পর ফেরেন হুসেইন তালাত। রিশাদ হোসেনের বলে বোল্ড হন তিনি। বিদায়ের আগে তালাতের ব্যাটে আসে ১৩ বলে ৯ রান।
পরে আব্দুল সামাদ কিংবা ফাহিম আশরাফরাও পারেননি নিজেদের ইনিংস বড় করতে। বরং, পাকিস্তানি ব্যাটাররা অসহায় হয়ে পড়েন রিশাদ হোসেনের কাছে। এই লেগ স্পিনার শিকার করে নেন তিন উইকেট। তালাতের পর আউট শাহিন শাহ আফ্রিদি ও মোহাম্মদ ওয়াসিমকে ফেরান তিনি। দুজনের কেউই নিজেদের রান নিতে পারেননি দুই অঙ্কের ঘরে। নিজের শেষ তিন ওভারে তিন ব্যাটারকে আউট করেন রিশাদ। মাঝে ফাহিম আশরাফ আউট হন মোস্তাফিজুর রহমানের বলে। তাতে ৪৭.৩ ওভারে ২৭৪ রানে থামে পাকিস্তানের ইনিংস।
অথচ, উদ্বোধনী জুটিতে সাহিবজাদা ফারহান ও মাজ সাদাকাদ মিলে গড়েন ১০৩ রানের বড় জুটি। তাদের দুজনের এমন জুটির পর রিজওয়ান-সালমানের ১০৯ রানের জুটি আভাস দিচ্ছিল ৩০০ কিংবা তার চেয়ে বেশি রান করবে পাকিস্তান। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ৪৩ রানের ব্যবধানে শেষ ৭ উইকেট হারিয়ে আর সংগ্রহ বড় করতে পারেনি পাকিস্তান। ব্যর্থতার খাতায় নাম লেখায় পাকিস্তানের লোয়ার ও লোয়ার মিডল অর্ডার।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

