আরিনা সাবালেঙ্কা- টানা দুবারের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন। শুধু নামে নয়, কাজে রাখছেন তার প্রমাণ। কেননা তার পারফরম্যান্সও হচ্ছে শিরোপাধারীর মতোই। রাজকীয় নৈপুণ্যে এবার অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের ফাইনালের টিকিট কেটেছেন বেলারুশের এ তারকা। শেষ চারে সাবালেঙ্কা হারিয়েছেন কাছের বন্ধু পলা বাদোসাকে। এবার চ্যাম্পিয়ন হলে, মেলবোর্নে ২৬ বছরের মধ্যে প্রথম নারী খেলোয়াড় হিসেবে হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়ের রেকর্ড করবেন সাবালেঙ্কা।
শনিবারের ফাইনালে বছরের প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যামের শ্রেষ্ঠত্ব ছিনিয়ে নিতে মেডিসন কিসের মুখোমুখি হবে সাবালেঙ্কা। রড লেভার এরেনায় অন্য সেমিফাইনালে দ্বিতীয় বাছাই ইগা সোয়াটেককে হারিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের এ তারকা। প্রথম সেটে ৭-৫ গেমে জিতে এগিয়ে যান পোল্যান্ডের সুন্দরী সোয়াটেক। কিন্তু দ্বিতীয় সেটেই ঘুরে দাঁড়ান মেডিসন। সমতায় ফেরেন ৬-১ গেমে জিতে। তবে তৃতীয় সেটে হয়েছে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। ৭-৬ গেমে টাই হওয়া সেটটি শেষে ১০-৮ গেমে জিতে ফাইনালের টিকিট কাটেন ২৯ বছরের এ মার্কিন তারকা।
সাবালেঙ্কা অবশ্য শুরুতে হারের শঙ্কায় পড়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু ঘুরে দাঁড়িয়ে সরাসরি সেটে অনায়াস জয় তুলে নিয়েছেন শীর্ষ বাছাই। নিজের ঘনিষ্ঠ বন্ধু বাদোসার হৃদয় ভেঙেছেন ৬-৪ ও ৬-২ গেমে জিতে। এবারই প্রথম মেজর টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে খেললেন বাদোসা। দ্রুতই এগিয়ে গিয়েছিলেন ২-০ গেমে। কিন্তু পরের ১৬ গেমের মধ্যে স্পেনের ১১তম বাছাই বাদোসা জেতেন মাত্র চারটি। ফাইনালে সাবালেঙ্কা মোকাবিলা করবেন মেসিডন কিসকে। তার লক্ষ্য এবার ১৯৯৭-৯৯ সালে মার্টিনা হিঙ্গিসের টানা তিন শিরোপা জয়ের কীর্তি ছোঁয়া।
হিঙ্গিসের পাশে বসার সুবর্ণ সুযোগ এবার সাবালেঙ্কার সামনে। এনিয়ে তিনি বলেন, ‘শুধু এতটুকু বলছিল, আমার গা শিউরে উঠেছিল। নিজেকে এবং নিজের দলকে নিয়ে আমি গর্বিত। এমন পরিস্থিতির মধ্যে আমরা যেতে পেরেছি। এটা সৌভাগ্যের ব্যাপার। যদি ইতিহাসের পাতায় নিজের নাম লিখতে পারি, তাহলে পৃথিবীটাই আমার কাছে চলে আসবে। শুরুতে আমার স্বপ্ন ছিল অন্তত একটি গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়। এখন আমার সামনে এমন সুযোগ। এটা সত্যিই অবিশ্বাস্য।’
অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে দুবারের চ্যাম্পিয়ন সাবালেঙ্কা জিতলেন টানা ২০ ম্যাচ। তাতে ধরে রাখলেন র্যাঙ্কিংয়ে নিজের শীর্ষ স্থানটা। অবশ্য এটা সম্ভব হয়েছে ইগা সোয়াটেক সেমিফাইানালে হার মানায়।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

