নাটকীয় ম্যাচে ক্রোয়েশিয়াকে কাঁদিয়ে শেষ ষোলোয় পর্তুগাল

স্পোর্টস ডেস্ক

নাটকীয় ম্যাচে ক্রোয়েশিয়াকে কাঁদিয়ে শেষ ষোলোয় পর্তুগাল

বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে শেষ বাঁশি বাজার আগ পর্যন্ত যে কিছুই নিশ্চিত নয়, সেটারই আরেকটি প্রমাণ মিলল টরন্টো স্টেডিয়ামে। ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে শেষ বত্রিশের রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে যোগ করা সময়ে একের পর এক নাটকের জন্ম দিয়ে শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের জয় তুলে নিয়েছে পর্তুগাল। গনসালো রামোসের শেষ মুহূর্তের গোলে এগিয়ে যাওয়ার পরও সমতায় ফিরেছিল ক্রোয়েশিয়া, কিন্তু ভিএআরের রায়ে সেই গোল বাতিল হওয়ায় শেষ পর্যন্ত উল্লাসে মাতে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর দল।

ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলই সতর্ক ফুটবল খেললেও দ্বিতীয়ার্ধে খুলে যায় গোলের দুয়ার। ৫৩ মিনিটে দ্রুত নেওয়া এক থ্রো-ইন থেকে তৈরি হওয়া আক্রমণে প্রথমে এগিয়ে যায় ক্রোয়েশিয়া। ইয়োসিপ স্তানিশিচের বাড়ানো বল পেয়ে বাঁ পায়ের নিখুঁত শটে পর্তুগালের জালে বল জড়ান অভিজ্ঞ উইঙ্গার ইভান পেরিসিচ।

গোল হজমের পর আক্রমণের তীব্রতা বাড়ায় পর্তুগাল। ৬০ মিনিটে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো বল জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে সেই গোল বাতিল হয়। তবে হতাশ হননি পর্তুগিজ অধিনায়ক।

ম্যাচের ৬৮ মিনিটে পেনাল্টি পায় পর্তুগাল। স্পটকিক নিতে এসে কোনো ভুল করেননি রোনালদো। ঠান্ডা মাথার শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করে দলকে সমতায় ফেরান তিনি। একই সঙ্গে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে নিজের দীর্ঘদিনের গোলখরাও কাটান পর্তুগিজ মহাতারকা।

সমতায় ফেরার পর দুই দলই জয়ের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। শেষদিকে ম্যাচের গতি আরও বাড়ে। নির্ধারিত সময় শেষে যোগ করা সময়ে আসে ম্যাচের সবচেয়ে নাটকীয় মুহূর্ত। যোগ করা সময়ের চতুর্থ মিনিটে রাফায়েল লিয়াওয়ের দারুণ ক্রসে বক্সের ভেতর থেকে হেডে বল জালে পাঠান গনসালো রামোস। সেই গোলে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় পর্তুগাল।

কিন্তু নাটক তখনও শেষ হয়নি। যোগ করা সময়ের ১০ মিনিট পার হওয়ার পর ক্রোয়েশিয়া বল জালে পাঠিয়ে সমতায় ফেরে। গোল হতেই উল্লাসে ফেটে পড়েন লুকা মদরিচ ও তার সতীর্থরা। তবে সেই আনন্দ স্থায়ী হয়নি। ভিডিও সহকারী রেফারির (ভিএআর) পর্যালোচনায় অফসাইড ধরা পড়লে গোলটি বাতিল করে দেন ম্যাচ কর্মকর্তা। শেষ বাঁশি বাজতেই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে পর্তুগাল।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন