৩৯তম ওভারের চতুর্থ বল। অফ স্টাম্পের বাইরে লেংথ বল সোজা ব্যাটে ঠেকিয়ে দেন মোহাম্মদ রিজওয়ান। মেহেদী হাসান মিরাজ নিজের ডানদিকে, নন-স্ট্রাইকারের ঠিক পাশ দিয়ে গিয়ে পা দিয়ে বল থামান। থেমে থাকা বলটি তুলতে নন-স্ট্রাইকার সালমান আলী আগা এগিয়ে আসেন। কিন্তু তার আগেই মিরাজ দ্রুত বলটি তুলে স্টাম্পে হিট করেন। আগা তখনো পপিং ক্রিজের বাইরে। অথচ তার উচিত ছিল ক্রিজের ভেতরে থাকা। এই সুযোগেই আউটের আবেদন করেন মিরাজ।
বিষয়টি সমাধানে তৃতীয় আম্পায়ারের শরনাপন্ন হন ফিল্ড আম্পায়ার। রিভিউতে দেখা যায়, মিরাজের রান আউটটি ক্রিকেটের আইনে বৈধ, ফলে আঙ্গুল তুলে দেন আম্পায়ার। আগাও বুঝতে পারছিলেন যে তাকে আউটই দেওয়া হবে। এতে তিনি মোটেও খুশি ছিলেন না এবং তৃতীয় আম্পায়ার সিদ্ধান্ত দেওয়ার সময়ই তার অসন্তোষ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। মাঠ ছাড়ার সময় তিনি নিজের হেলমেট ও গ্লাভস সীমানা লাইনের বাইরে ছুড়ে ফেলেন।
প্রযুক্তিগতভাবে আগা আউট হলেও মিরাজের খেলোয়াড়সুলভ মানসিকতা নিয়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা ক্রিকেটে স্পিরিট বলতে যে জিনিস আছে সেটাই যেন ভুলে গিয়েছিলেন মিরাজ। যদিও দলের স্বার্থ সবার আগে, তবে এই আউটকে ভালোভাবে দেখছেন না অনেকেই। তবে ক্রিকেটের নিয়মে আগা আউট হতেনই। তিনি যদি বল হাত দিয়ে ধরতেন, তাহলেও বাংলাদেশ আপিল করলে অবস্ট্রাকটিং দ্যা ফিল্ড আউট হতেন৷
মাঠ ছাড়ার সময় লিটন দাসের সঙ্গে তর্কেও জড়ান আগা। পরিস্থিতি শান্ত করেন রিজওয়ান ধারাভাষ্যকার মাজহার উদ্দিন অমি আগার এই কাহিনী দেখে বলেই ফেললেন, বলটা বোলারের কাছে ফেরত দেওয়ার আগে আগার ক্রিজের ভেতরে থাকা উচিত ছিল। এই বোকামির জন্য প্রতিপক্ষের ওপর রাগ দেখানোর বদলে নিজের ওপরই রাগ দেখানো উচিত।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

