প্রথমবার সিপিএল চ্যাম্পিয়ন অ্যান্টিগা

প্রথমবার সিপিএল চ্যাম্পিয়ন অ্যান্টিগা

ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (সিপিএল) ফাইনালে ইতিহাস গড়ে প্রথমবারের মতো শিরোপা জিতেছে অ্যান্টিগা অ্যান্ড বারবুডা ফ্যালকনস। জ্যামাইকা কিংসমেনের দেওয়া ১৭১ রানের লক্ষ্য তারা পেরিয়ে গেছে ৮ বল হাতে রেখে, ৮ উইকেটের দাপুটে জয়ে। ফাইনালের ইতিহাসে এটিই সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড।

বিজ্ঞাপন

শুরুতেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয় অ্যান্টিগা। রাকিম কর্নওয়াল মাত্র ৬ বল খেললেও দুটি চার ও দুটি ছক্কায় করেন ২০ রান। এরপর এভিন লুইস ও অ্যান্ড্রে জাঙ্গুর ব্যাটে এগিয়ে যায় দল। লুইস ৩৮ রানে ফিরলেও জাঙ্গু থামেননি। পরে হাসান নওয়াজকে সঙ্গে নিয়ে ৮৯ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন তিনি।

জাঙ্গু ৩৪ বলে ৫৭ রানে অপরাজিত থাকেন। তার ইনিংসে ছিল ৫টি চার ও ৩টি ছক্কা। নওয়াজ ৩৫ বলে ৪৭ রানে অপরাজিত থেকে ছক্কা মেরে জয় নিশ্চিত করেন। ১৭তম ওভারের সেই ছক্কার পরই উল্লাসে মেতে ওঠে অ্যান্টিগা শিবির। কিংবদন্তি স্যার কার্টলি অ্যামব্রোসও মাঠে নেমে দলের সঙ্গে উদযাপনে যোগ দেন।

এর আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা মোটেও ভালো ছিল না জ্যামাইকার। ৩০ রানে হারায় ২ উইকেট। তবে সাইম আইয়ুব ও মাজ সাদাকাতের ৮০ রানের জুটি দলকে বিপদ থেকে টেনে তোলে। সাইম ২৯ রানে ফেরার পর আবারও দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারায় জ্যামাইকা। ১২৭ রানে ৭ উইকেট পড়ে যাওয়ার পরও একাই লড়াই চালিয়ে যান সাদাকাত।

শেষ পর্যন্ত ৫৮ বলে ৮ চার ও ৯ ছক্কায় ১১৪ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন তিনি। ইনিংসের শেষের আগের বলে আউট হন সাদাকাত। তার ব্যাটেই ১৭০ রানের লড়াকু সংগ্রহ পায় জ্যামাইকা। দলের অন্য ব্যাটারদের মধ্যে মাত্র একজন দুই অঙ্কে পৌঁছাতে পেরেছিলেন।

জ্যামাইকার বড় সংগ্রহের পেছনে সাদাকাতের সেঞ্চুরি থাকলেও অ্যান্টিগার বোলিং আক্রমণে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন পাকিস্তানের সুফিয়ান মুকিম। ৪ ওভারে মাত্র ১৪ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন তিনি। দুর্দান্ত বোলিংয়ের স্বীকৃতি হিসেবে ফাইনালের সেরা খেলোয়াড়ও নির্বাচিত হন সুফিয়ান।

আর পুরো টুর্নামেন্টে ১৩২ রান ও ১১ উইকেট নিয়ে সিপিএলের মৌসুমসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেছেন আরেক পাকিস্তানি শাদাব খান।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন