শেফিল্ডে হামজার রঙিন প্রত্যাবর্তন

শেফিল্ডে হামজার রঙিন প্রত্যাবর্তন

লেস্টার সিটির সঙ্গে ২১ বছরের সম্পর্ক চুকিয়ে গত ৩১ আগস্ট শেফিল্ড ইউনাইটেডে স্থায়ীভাবে ফিরেছেন হামজা চৌধুরী। এর একদিন পরই শেফিল্ডের হয়ে মাঠে নামেন এই বাংলাদেশি ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার। বোল্টন ওয়ান্ডারার্সের বিপক্ষে ওই ম্যাচটিকে ঘিরে বাড়তি আগ্রহ ছিল বাংলাদেশের দর্শকদেরও। শেফিল্ডে হামজার প্রত্যাবর্তন রঙিনই হয়েছে। এই ম্যাচে শেফিল্ড ৩-২ গোলে হারায় বোল্টনকে। পুরো ম্যাচে হামজার পারফরম্যান্স ছিল দুর্দান্ত।

গত মঙ্গলবার রাতে ব্রামল লেনে শেফিল্ডের জার্সি গায়ে পুরো ৯০ মিনিট খেলেছেন হামজা। তাকে নিয়ে যে প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছিলেন কোচ ক্রিস ওয়াইল্ডার, সেই আস্থার প্রতিদান দিয়েছেন তিনি। মাঝমাঠে হামজার প্রাণবন্ত উপস্থিতি দলকে সুবিধাজনক অবস্থায় রাখে। যদিও আগে গোল হজম করে শেফিল্ড। প্রথম মিনিটেই জাভিয়ের সিমন্সের গোলে এগিয়ে যায় বোল্টন। অবশ্য ম্যাচে ফিরতে বেশি সময় নেয়নি শেফিল্ড। চতুর্থ মিনিটেই জাফেত তানগাঙ্গার গোলে ১-১ সমতায় ফেরেন হামজারা। প্রথমার্ধে আর গোল হয়নি। তবে এ অর্ধে গোলের সুযোগও পেয়েছিলেন হামজা। তবে কাজে লাগাতে পারেননি। রক্ষণে দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন তিনি। পাস ও ট্যাকলে সফল ছিলেন এই ২৮ বছর বয়সি ফুটবলার।

বিজ্ঞাপন

দ্বিতীয়ার্ধে খেলতে নেমে ৬৭ মিনিটে আবার পিছিয়ে পড়ে শেফিল্ড। বোল্টনের হয়ে গোল করেন স্যাম ডালবি। অবশ্য পরের মিনিটেই প্যাট্রিক ব্যামফোর্ড গোলে আবার ম্যাচে সমতায় ফেরে শেফিল্ড (২-২)। আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে ম্যাচ জমে উঠে। শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয়ার্ধের অতিরিক্ত সময়ে (৯৩ মিনিটে) রোমেল ডোনোভানের গোলে জয় তুলে নেয় শেফিল্ড। ফলে জয় দিয়েই শেফিল্ডে নতুন অধ্যায় শুরু হলো হামজার।

ম্যাচশেষে তিনি বলেছেন, ব্রামল লেনে ফিরতে পেরে ভালো লাগছে তার। দুবার পিছিয়ে পড়ে দল জিতেছে। এটি বড় সাফল্য। শুরুতেই গোল হজম করার পর সাহসী খেলায় ম্যাচে ফিরেছে দল। হামজা জানান, যে স্টেডিয়ামে খেলেছেন, সেই স্টেডিয়াম ও দর্শকরা ছিলেন তার বিশেষ কিছু।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন