আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর এখনো দেশে ফিরতে পারেননি সাকিব আল হাসান। আওয়ামী লীগ সরকারের সংসদ সদস্য হওয়ায় তার দেশে ফেরার পথ রুদ্ধ হয়ে আছে। তার বিরুদ্ধে আছে বেশ কয়েকটি মামলা। এর মধ্যে কয়েকবার দেশে ফেরার ইচ্ছার কথাও জানান তিনি। ফলে বারবারই তার দেশে ফেরা নিয়ে হয় আলোচনা। তাকে দেশে ফেরাতে বিসিবি কোন উদ্যোগ নিয়েছে কি না, ঘুরেফিরে সে প্রশ্ন আসে। সাকিবের মতো একই ধরনের সমস্যায় আছেন আওয়ামী লীগ সরকারের সংসদ সদস্য থাকা সাবেক দুই অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা এবং নাঈমুর রহমান দুর্জয়। সাকিবের মতো তাদের বিরুদ্ধেও আছে মামলা। সাকিব দেশের বাইরে থাকলেও আত্মগোপনে আছেন মাশরাফি বিন মর্তুজা। আর গ্রেপ্তার হয়ে জেলে আছেন নাঈমুর রহমান দুর্জয়।
বারবার শুধু সাকিব আল হাসান নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় হয়তো খানিকটা বিরক্ত বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল। তার মতে, শুধু সাকিব নয়; মাশরাফি ও দুর্জয়ের ব্যাপারেও যেন কথা বলা হয়। এ নিয়ে তামিম ইকবাল বলেন, ‘আমরা শেষ এক, দেড়-দুই বছর ধরে একজন নির্দিষ্ট ক্রিকেটারকে নিয়ে, যদি নাম বলতে হয় সাকিবকে নিয়েই আমরা কথা বলছি। কিন্তু আমার অনুরোধ, যখন এ প্রশ্নটা করেন আমাদের তিনজন ক্রিকেটার, তিনজন সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা, নাঈমুর রহমান দুর্জয় ও সাকিব আল হাসান একই ধরনের পরিস্থিতিতে আছেন। এখানে বসে এটা আমার জন্য শোনা এবং বলা ঠিক না শুধুমাত্র নির্দিষ্ট একজন ক্রিকেটারকে নিয়ে। আমার কাছে মনে হয় আমরা যখন প্রশ্ন করব এবং আপনারাও যখন প্রশ্ন করবেন, তখন নিশ্চিত করবেন অন্য দুই অধিনায়ককে নিয়েও বলতে।’
তামিম এ নিয়ে আরো বলেন, ‘আমাদের তরফ থেকে ক্রিকেটীয় কোনো সুযোগ-সুবিধা বা কোনোকিছুতে আমরা তাদের ওয়েলকাম করব। আর আইনি যে জিনিসগুলো আছে, আমাদের মন্ত্রী সাহেবও বলেছেন এটার প্রতি নমনীয় হবেন। ওনার তরফ থেকে বলেছেন। ক্রিকেট বোর্ড হিসেবে আমাদের তরফ থেকে ক্রিকেটিং যেসব জিনিসে আমরা সাহায্য করতে পারি, সেটা আমরা করব, যদি ওনারা ওনাদের সমস্যাগুলো সমাধান করে আসেন। আমরা সব সময় দুহাত বাড়িয়ে তাদের স্বাগত জানাতে প্রস্তুত, যদি ওনাদের ওই সমস্যাগুলো ওনারা সমাধান করে আসেন।’
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

