আগে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ১০ ওভারেই স্কোরবোর্ডে ১০ রান তোলে নিউজিল্যান্ড। মনে হয়েছিল, শেষ পর্যন্ত কিউইদের ইনিংস থামতে পারে ২০০ কিংবা তার চেয়ে বেশি রানে। তবে শেষ পর্যন্ত তা হতে দেয়নি বাংলাদেশের বোলাররা। কিউইদের আটকে দেয় ১৮২ রানে। শেষ পর্যন্ত ১২ বল হাতে রেখে ওই লক্ষ্য তাড়া করে ম্যাচ জিতে নেয় লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। কিউইদের রান তোলার ওই গতি আটকে দেওয়ার পেছনে বোলারদের প্রশংসা করেন স্পিনার শেখ মাহেদি।
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে গত পরশু প্রথম টি-টোয়েন্টিতে বোলিং করা কঠিন ছিল বলে মনে করেন শেখ মাহেদি। চট্টগ্রামের উইকেট ব্যাটিং সহায়ক বলেই এই চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়েছিল বলে মনে করেন তিনি।
তার কথায়, ‘চট্টগ্রামের উইকেট বরাবরই ব্যাটিং সহায়ক হয়। তাই বোলারদের জন্য এখানে সবসময়ই চ্যালেঞ্জ থাকে। কঠিন পরিস্থিতি সামলাতে হয়। গতকালকের (গত পরশু) ম্যাচ দেখলেই বোঝা যায়, আমরা বোলার ইউনিট হিসেবে কতটা কঠিন সময় পার করেছি। একইভাবে নিউজিল্যান্ডও কিন্তু একই পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে।’
রিশাদ হোসেন ও তার নিজের বোলিংয়ে নিউজিল্যান্ডকে আটকানো সহজ বলে মনে করেন মাহেদি। তার ভাষায়, ‘ধীরে ধীরে আমরা ম্যাচে ফিরে আসি। রিশাদের ওভারগুলো খুব ভালো ছিল, আর শেষদিকে আমি দুটি ওভারে ভালো কামব্যাক করি। এই দুই স্পেলে আমরা মিডল ওভারটা অনেক ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছি।’
মাঝের ওভারে ভালো বোলিং করতে না পারলে নিউজিল্যান্ডের রান ২০০’র উপরে যেত সেটাই বিশ্বাস করেন মাহেদি। পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ে পেসারদের পাশাপাশি স্পিনাররাও দারুণ বোলিং করে বাংলাদেশের জয়ে রাখছে অবদান। সেটা স্বীকার করে শেখ মাহেদি বলেন, ‘ওভারঅল যদি উইকেট বোঝা যায়, তাহলে আমি বলব বোলিংয়ের দিক থেকে আমরা নিউজিল্যান্ডের চেয়ে ভালো করেছি। গত এক বছর বা দেড় বছরে স্পিনাররা সত্যিই ডমিনেটিং পারফরম্যান্স করে আসছে। এমনকি বিদেশের কন্ডিশনেও স্পিনাররা ভালো করেছে।’
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পাওয়া চ্যালেঞ্জগুলো ভবিষ্যতে কাজে লাগানোর কথা জানিয়ে মাহেদি বলেন, ‘চ্যালেঞ্জ সবসময়ই থাকে। কখনো ভালো যায়, কখনো খারাপ যায়—এটাই ক্রিকেট। এখান থেকেই সবাই শেখে। যত দ্রুত মানিয়ে নিতে পেরেছি, সেটাই আমার জন্য ভালো দিক।’
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

