২০২৬ বিশ্বকাপে গ্রুপপর্বের যত রেকর্ড

স্পোর্টস ডেস্ক

২০২৬ বিশ্বকাপে গ্রুপপর্বের যত রেকর্ড

১৬টি ভেন্যুতে ১৭ দিনব্যাপী ৪৮ দলের প্রথম বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের খেলা শেষ হয়েছে। এ পর্বে ৭২টি ম্যাচে স্টেডিয়ামগুলোয় ৪৬ লাখেরও বেশি দর্শক সমাগম হয়েছিল। এতে ১৯৯৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের প্রায় ৩৬ লাখ দর্শক উপস্থিতির রেকর্ড ছাড়িয়ে যায়। এছাড়া এই বিশ্বকাপে আরো অনেক নতুন রেকর্ড হয়েছে। পাঠকদের জন্য তা তুলে ধরা হলো—

১৯ : প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে টানা সাতটি বিশ্বকাপের ম্যাচে গোল করার রেকর্ড গড়েছেন লিওনেল মেসি। ১৯টি গোল করে টুর্নামেন্টের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন এই আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি।


৩৮ : সবচেয়ে বয়স্ক খেলোয়াড় হিসেবে ৩৮ বছর ও ৩৫৭ দিন বয়সে হ্যাটট্রিক করেছেন মেসি। আলজেরিয়ার বিপক্ষে তার গোল টিকটকে বিশ্বকাপ-সম্পর্কিত সবচেয়ে বেশি দেখা ভিডিও ছিল, যার ভিউ সংখ্যা ছিল ৫৩ মিলিয়ন।

বিজ্ঞাপন


৪১ : ৪১ বছর বয়সে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ১০টি গোল করে বিশ্বকাপের ইতিহাসে পর্তুগালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে ইউসেবিওকে ছাড়িয়ে যান।


১১ : ইংলিশম্যান হ্যারি কেইন ১১টি গোল করে বিশ্বকাপ ইতিহাসে ইংল্যান্ডের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন। এর আগের রেকর্ডটি ছিল গ্যারি লিনেকারের। তিনি ১০টি গোল করেছিলেন।


৭৮ : কুরাসাওয়ের কোচ ডিক অ্যাডভোকেট ৭৮ বছর ২৭১ দিন বয়সে বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচ পরিচালনা করা সবচেয়ে বয়সি কোচ হয়েছেন।


২১৫ : বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে মোট গোল হয়েছে ২১৫টি। ম্যাচপ্রতি গড়ে তিনটি। এই রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে ২০২২ কাতারে বিশ্বকাপে হওয়া ১৭২টি গোলকে। সর্বোচ্চ গোলদাতা হলো—ফ্রান্স, জার্মানি ও নেদারল্যান্ডস। তারা সর্বোচ্চ ১০টি করে গোল করেছে।


১৩ : রাউন্ড অফ থার্টি টু-এ উত্তীর্ণ হওয়া ৩২টি দলের মধ্যে সর্বোচ্চ ১৩টি দল জায়গা করে নিয়েছে ইউনিয়ন অব ইউরোপিয়ান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনস (উয়েফা) থেকে। কনফেডারেশন অব আফ্রিকান ফুটবল (সিএএফ) থেকে ৯টি, কনমেবল থেকে ৫টি, কনকাকাফ থেকে ৩টি এবং এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) থেকে দুটি দল শেষ বত্রিশে উঠেছে।


১ : প্রথমবার বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জায়গা করে নিয়েছে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, কেপ ভার্দে, কানাডা, আইভরি কোস্ট, মিসর, কঙ্গো ও দক্ষিণ আফ্রিকা। এর আগে কখনো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে দুটির বেশি আফ্রিকান দল পৌঁছায়নি।


৯৯.৭% : গ্রুপ পর্বে ৪৬ লাখ ৪৪ হাজার ৫৪৯ জন দর্শক সমাগম হয়েছে মাঠে। যেখানে প্রতি ম্যাচে গড়ে ৬৪ হাজার ৫০৮ জন দর্শক উপস্থিত ছিলেন এবং স্টেডিয়ামের ধারণক্ষমতার ৯৯.৭% পূর্ণ ছিল।


১.১৩ : বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে অ্যাডিডাসের সর্বাধিক বিক্রীত পণ্য ছিল মেক্সিকোর জাতীয় দলের জার্সি। বিক্রির পরিমাণ ১.১৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যায়।


৭২ : প্রথম পর্বে ৭২টি ম্যাচে খেলাচলাকালীন ভেন্যুগুলোতে ২৮ লাখের বেশি বিয়ার, ৩ লাখ হট ডগ এবং প্রায় ১০ লাখ পানির বোতল বিক্রি হয়েছে।


৫৫ : ফিফার ফ্যান ফেস্টিভ্যালে তিন আয়োজক দেশে (যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা) ফিফা কর্তৃক আয়োজিত স্থানগুলোয় ৫৫ লাখেরও বেশি মানুষ অংশ নেয়।


১৬২ : ১৬২টি দেশ ও অঞ্চল থেকে মোট ৪০ হাজার ৫০ স্বেচ্ছাসেবক বিশ্বকাপের আয়োজনে সহযোগিতা করেছেন।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন