সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ

ঋতুপর্ণার গোলে স্বস্তির সমতায় বিরতিতে বাংলাদেশ

স্পোর্টস রিপোর্টার

ঋতুপর্ণার গোলে স্বস্তির সমতায় বিরতিতে বাংলাদেশ

সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে প্রথমার্ধে পিছিয়ে থেকেই বিরতিতে যাচ্ছিল বাংলাদেশ। তবে এবারও ত্রাতা হয়ে এলেন সেমিফাইনালে জাদুকরী গোল উপহার দেওয়া ঋতুপর্ণা চাকমা। তার যোগ করা সময়ের গোলে ১-১ সমতায় ফিরে প্রথমার্ধে বিরতিতে গেছে বাংলাদেশ।

ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে একে অপরকে চাপে রাখে। তবে প্রথমে গোলের দেখা পায় ভারত। বাংলাদেশের রক্ষণভাগের ভুলে গোল হজম করতে হয় টাইগ্রেসদের। এক সাধারণ আক্রমণে ভারতের ফরোয়ার্ড পিয়ারী সাহা বক্সের বাইরে এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে গোলের সুযোগ তৈরি করেন। বাংলাদেশের গোলরক্ষক মিলি আক্তার পোস্ট ছেড়ে সামনে এগিয়ে আসায় তার মাথার ওপর দিয়ে নিখুঁতভাবে শট নিয়ে গোল করেন পিয়ারী। চেষ্টা করেও বল ঠেকাতে পারেননি মিলি। এর আগে ১৭ মিনিটে তার হাত ফসকে যাওয়া একটি বল থেকেও বিপদের শঙ্কা তৈরি হয়েছিল, যদিও তখন কোনো গোল হয়নি।

বিজ্ঞাপন

গোল খাওয়ার পর অবশ্য বেশি সময় পিছিয়ে থাকেনি বাংলাদেশ। মাত্র কয়েক মিনিটের ব্যবধানে ম্যাচে সমতা ফেরায় তারা। সেমিফাইনালের মতোই এবারও ভরসার নাম হয়ে ওঠেন ঋতুপর্ণা চাকমা। প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে বক্সের ভেতরে একটি থ্রু পাস পেয়ে যান তিনি। এরপর দ্রুতগতিতে ভারতীয় ডিফেন্ডারকে পেছনে ফেলে কোনাকুনি শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করে বল জালে জড়ান এই ফরোয়ার্ড। তার এই গোলে ম্যাচে নতুন করে প্রাণ ফিরে পায় বাংলাদেশ।

এর আগে প্রথমার্ধে আরও কয়েকটি সুযোগ তৈরি করেছিল বাংলাদেশ। ১২ মিনিটে তহুরা খাতুন গোলরক্ষককে একা পেয়েও বল জালে পাঠাতে ব্যর্থ হন, কারণ শট নেওয়ার আগেই ভারতীয় ডিফেন্ডার বল ক্লিয়ার করে দেন। ৪১ মিনিটেও তহুরা আবারও গোলের সুযোগ নষ্ট করেন। ৪৪ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে আনিকার নেওয়া দূরপাল্লার শট দারুণভাবে সেভ করেন ভারতের গোলরক্ষক।

প্রথমার্ধ শেষে তাই দুই দলের লড়াই পুরোপুরি সমতায়—একদিকে ভারতের ভুলে পাওয়া গোল, অন্যদিকে বাংলাদেশের গতি আর সুযোগ কাজে লাগানোর লড়াই। দ্বিতীয়ার্ধে শিরোপা নির্ধারণী এই ম্যাচ কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেটিই দেখার অপেক্ষা।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন