
কক্সবাজারে বন্যাদুর্গত অসহায় মানুষের পাশে বিজিবি
বিজিবির নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের উদ্যোগে কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার বন্যাদুর্গত তিনটি গ্রামের পাঁচ শতাধিক অসহায় বানভাসি পরিবারের মধ্যে রান্না করা খাবার ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

বিজিবির নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের উদ্যোগে কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার বন্যাদুর্গত তিনটি গ্রামের পাঁচ শতাধিক অসহায় বানভাসি পরিবারের মধ্যে রান্না করা খাবার ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম, তুমব্রু ও ফুলতলী পর্যন্ত বিস্তৃত ২৮ কিলোমিটার সীমান্ত করিডোর এখন ‘মৃত্যুফাঁদে’ পরিণত হয়েছে। সীমান্তের ওপারে চলমান সংঘাতের প্রভাবে এই এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে স্থলমাইনের ভয়াবহ ঝুঁকি। গত দেড় বছরে এই করিডোরে মাইন বিস্ফোরণে অন্তত ৩৫ বাংলাদেশি হতাহত হন।

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্তে স্থলমাইন বিস্ফোরণে ৩ জন নিহত হয়েছেন। রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সীমান্ত এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা সবাই স্থানীয় ভালুকিয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তারা হলেন, অংক্যমং তংচঙ্গ্যা, চোপোচিং চাকমা, চিংক্ষং চাকমা।

কক্সবাজারের কাছের পার্বত্য উপজেলা নাইক্ষ্যংছড়ির সীমান্ত এলাকায় মাইন পোঁতার চেষ্টাকালে ৫টি স্থলমাইন ও নানা ধরনের সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে বিজিবি। সীমান্তের টারগুপাড়া সীমান্ত সড়ক সংলগ্ন শূন্য লাইনের কাছাকাছি ছায়াপাড়ার ৫৩ ও ৫৪ নম্বর সীমান্ত পিলারের মাঝামাঝি এলাকা থেকে ওই সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।







