মালির রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে একযোগে সশস্ত্র হামলা

আমার দেশ অনলাইন

মালির রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে একযোগে সশস্ত্র হামলা
ছবি: সংগৃহীত।

মালির রাজধানী বামাকো ও দেশের বিভিন্ন স্থানে সশস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী। শনিবার সকালে সেনাবাহিনী জানায়, সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো একাধিক এলাকায় সেনা ব্যারাকে আক্রমণ চালিয়েছে এবং তাদের প্রতিরোধে অভিযান চলছে। খবর আলজাজিরা

রাজধানীর বাইরে কাটি এলাকার প্রধান সামরিক ঘাঁটির কাছে ভোর ৬টার কিছু আগে দুটি বিস্ফোরণ এবং টানা গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়। এই ঘাঁটিটি সামরিক শাসক জেনারেল আসিমি গোইতার আবাসস্থল হিসেবে পরিচিত।

বিজ্ঞাপন

একই সময়ে মধ্যাঞ্চলের সেভারে শহর এবং উত্তরের কিদাল ও গাও শহরেও সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, চারদিকে গোলাগুলির শব্দ শোনা যাচ্ছিল।

বামাকোর মোদিবো কেইতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছেও ভারী অস্ত্র ও স্বয়ংক্রিয় রাইফেলের গুলির শব্দ শোনা যায় বলে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের এক সাংবাদিক জানিয়েছেন। এলাকায় একটি হেলিকপ্টার টহল দিতে দেখা গেছে।

স্বর্ণসহ নানা মূল্যবান খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ মালি দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সশস্ত্র অস্থিরতায় ভুগছে।

২০২০ ও ২০২১ সালে দুটি সামরিক অভ্যুত্থানের পর মালি ফ্রান্সের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে এবং দেশ থেকে ফরাসি বাহিনী ও জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশন বহিষ্কার করে।

গত বছরের জুলাইয়ে সামরিক সরকার অভ্যুত্থান নেতা আসিমি গোইতাকে পাঁচ বছরের জন্য প্রেসিডেন্ট হিসেবে অনুমোদন দেয়, যা নির্বাচন ছাড়াই পুনর্নবীকরণ করা যেতে পারে।

এর আগে রাশিয়ার ওয়াগনার গ্রুপ, যারা ২০২১ সাল থেকে মালির সেনাবাহিনীকে সহায়তা করছিল, তাদের মিশন শেষ করার ঘোষণা দেয়। বর্তমানে এটি ‘আফ্রিকা কর্পস’ নামে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হচ্ছে।

মালি, বুরকিনা ফাসো ও নাইজার—এই তিনটি সামরিক শাসিত দেশ ২০২৩ সালে ‘অ্যালায়েন্স অব সাহেল স্টেটস ’ গঠন করে। জোটটি সাহেল অঞ্চলে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে যৌথভাবে লড়াইয়ের জন্য একটি সম্মিলিত বাহিনী গঠন করেছে।

এমএমআর

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন