ইউক্রেনকে নতুন অস্ত্র সরবরাহের ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পাশাপাশি রুশ পণ্য কেনা দেশগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপেরও হুমকি দিয়েছেন তিনি।
সোমবার হোয়াইট হাউসে ন্যাটোর প্রধান মার্ক রুটের সঙ্গে এক বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে প্যাট্রিয়ট এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম এবং অন্যান্য ক্ষেপণাস্ত্রসহ কোটি কোটি ডলারের সামরিক সরঞ্জাম পাঠাবে। এই অস্ত্রের খরচ বহন করবে ন্যাটোর সদস্য দেশগুলো।
ট্রাম্প বলেন, রাশিয়া যদি ৫০ দিনের মধ্যে শান্তিচুক্তিতে না আসে, তবে রুশ পণ্য আমদানিকারক দেশগুলোকে সেকেন্ডারি ট্যারিফ বা নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হতে হবে। ট্রাম্প বলেন, ৫০ দিনের মধ্যে যদি সমাধান না হয়, তাহলে সরাসরি ১০০ শতাংশ ট্যারিফ বসবে।
হোয়াইট হাউজের একজন কর্মকর্তা জানান, এই ট্যারিফ কেবল রাশিয়ার ওপরই নয়, যেসব দেশ রুশ পণ্য (বিশেষ করে তেল) কিনছে, তাদের ওপরও প্রয়োগ হবে।
বর্তমানে মার্কিন সিনেটের ১০০ সদস্যের মধ্যে ৮৫ জন একটি বিল সমর্থন করছেন, যা ট্রাম্পকে ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত ট্যারিফ আরোপের ক্ষমতা দেবে এমন দেশগুলোর ওপর যারা রাশিয়াকে সাহায্য করছে।
ন্যাটো প্রধান মার্ক রুট ট্রাম্পের ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, “এর মানে হলো ইউক্রেন বিপুল পরিমাণে সামরিক সরঞ্জাম পাবে, যার মধ্যে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ক্ষেপণাস্ত্র, গোলাবারুদ ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত থাকবে।”
এদিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি তার রাতের ভিডিও ভাষণে ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে “বড় প্রতিরক্ষা চুক্তি” নিয়ে কাজ করছেন, যদিও বিস্তারিত প্রকাশ করার সময় এখনও আসেনি।
জেলেনস্কি বলেন, “আমাদের জনগণের জীবন রক্ষায় সহযোগিতার প্রস্তুতির জন্য আমি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রতি কৃতজ্ঞ।” সূত্র: আল-জাজিরা, রয়টার্স
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

