রাশিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের স্মোলেনস্ক অঞ্চলের একটি সার কারখানায় ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় অন্তত সাতজন নিহত এবং আরও ১০ জন আহত হয়েছেন।
রাশিয়ার তদন্ত কমিটি জানিয়েছে, প্রায় ৩০টি ড্রোন আক্রমণ করে কারখানাটিতে, যা ইউক্রেনের সীমান্ত থেকে প্রায় ২৯০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। আক্রমণের লক্ষ্য ছিল ওই কারখানা, যা অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট এবং নাইট্রিক অ্যাসিড উৎপাদন করে। এই উপাদানগুলো সাধারণত সার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, তবে এগুলি বিস্ফোরক তৈরিতেও ব্যবহার করা যেতে পারে।
আঞ্চলিক গভর্নর ভ্যাসিলি আনোখিন সামাজিক মাধ্যমে হামলাটিকে ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনীর বর্বর সন্ত্রাসী হামলা হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, শত্রুপক্ষ একটি বেসামরিক স্থাপনায় আঘাত হেনেছে। তিনি আরও জানান, উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে, তবে রাসায়নিক দূষণের ঝুঁকি রয়েছে কি না সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট কিছু বলেননি।
নিরাপত্তার কারণে, দোরোগোবুঝ শহরের স্কুলগুলোতে অনলাইন ক্লাস চালু করা হয়েছে এবং কিন্ডারগার্টেন বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। আশপাশের বসতিপথ থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।
এই হামলার বিষয়ে ইউক্রেন এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু মন্তব্য করেনি। তবে এর আগে, চলতি সপ্তাহে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় রাশিয়ার তাতারস্তান প্রজাতন্ত্রের কালেইকিনো তেল পাম্পিং স্টেশন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসনের পর থেকে যুদ্ধ এখন পঞ্চম বছরে প্রবেশ করেছে। যদিও ইউক্রেন বড় ধরনের সামরিক পরিবর্তন আনতে পারেনি, তবে দেশটি তার দূরপাল্লার ড্রোন হামলা বৃদ্ধি করেছে। রাশিয়ার সঙ্গে শান্তি আলোচনা এখন পর্যন্ত দনবাস অঞ্চল নিয়ে অচলাবস্থায় রয়েছে। আগামী মার্চের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় নতুন ত্রিপক্ষীয় বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
এসআর
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

