ককরোচ পার্টির সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে যা বললেন ধ্রুব

ককরোচ পার্টির সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে যা বললেন ধ্রুব
ছবি: সংগৃহীত

প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলনে যোগ দিয়ে আটক হয়েছিলেন জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি। তবে ককরোচ জনতা পার্টির সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছেন তিনি।

ধ্রুব দাবি করেন, কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি হয়ে নয়, একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবেই আন্দোলনে যোগ দিতে ভারতে এসেছেন তিনি। সিজেপির সঙ্গে তার কোনো সাংগঠনিক সম্পর্ক নেই। দলের কোনো পদেও তিনি নেই বলে জানান ধ্রুব। তবে নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এই ইউটিউবার। তার মতে, ভোট চুরির অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর। এমন অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।

বিজ্ঞাপন

ধ্রুবের এই মন্তব্য ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তিনি জার্মানিতে থাকেন। ভারতের রাজনীতি, অর্থনীতি এবং বিভিন্ন সামাজিক বিষয় নিয়ে তার তৈরি ভিডিও বেশ জনপ্রিয় হয়েছে। ভারত সরকারের নীতির সমালোচনা করেও বার বার আলোচনায় এসেছেন তিনি।

সিজেপি নেতা অভিজিৎ দীপকে ও সৌরভ দাসের সঙ্গে ধ্রুবের বন্ধুত্ব রয়েছে। গত ৮ অক্টোবর বেঙ্গালুরুতে সিজেপির ডাকা বিক্ষোভে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে ভোট চুরির অভিযোগ তোলেন ধ্রুব। তার বক্তব্য, নির্বাচন কমিশনকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে হবে। গণতন্ত্রের স্বার্থেই ভোটার তালিকা এবং নির্বাচনী ব্যবস্থা নিয়ে ওঠা অভিযোগ খতিয়ে দেখা জরুরি।

এরপর ১০ অক্টোবর দিল্লির যন্তর মন্তরে সিজেপির আন্দোলনেও যোগ দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি।

দিল্লিতে বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার আগেই ধ্রুবকে আটক করে পুলিশ। ১০ অক্টোবর সকালে গুরুগ্রামে তার বাড়ি থেকে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়। ২০ ঘণ্টারও বেশি সময় পর মুক্তি পান তিনি।

ধ্রুব বলেন, গণতন্ত্র ও একনায়কতন্ত্রের মধ্যে স্পষ্ট সীমারেখা টানা সব সময় সহজ নয়। তবে ২০১৪ সালের তুলনায় ভারত ক্রমশ একনায়কতন্ত্রের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

আরএ

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন