চীনের বেইজিংয়ে প্রবল বৃষ্টি ও ভয়াবহ বন্যায় অন্তত ৩০ জন প্রাণ হারিয়েছেন। গত কয়েকদিন ধরে দেশটির উত্তরাঞ্চলে প্রবল বৃষ্টিপাত হচ্ছে। বেইজিং থেকে এ পর্যন্ত ৮০ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বন্যায় বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে কমপক্ষে ১৩০টি গ্রাম। খবর বিবিসির।
বেইজিংয়ের রাস্তাঘাট, গ্রাম, উপ শহরে বন্যার পানি ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানায় রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে মিয়ুন এবং ফাংশান। বন্যায় এসব এলাকার অনেক পরিবার মাত্র কয়েক ঘন্টার মধ্যে সবকিছু হারিয়েছে।
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং উদ্ধার তৎপরতা জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছেন। বন্যায় আটকাপড়াদের উদ্ধারে বিরতিহীন কাজ করে যাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা।
বেইজিংয়ের দক্ষিণে ঝেজিয়াং, জিয়াংসু এবং আনহুই প্রদেশে ভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সোমবার চেংদে শহরে ভূমিধসে চারজন নিহত এবং আটজন নিখোঁজ হয়েছেন। চলতি জুলাই মাসের শুরুতে, টাইফুন উইফার আঘাতে পূর্ব চীনের শানডং প্রদেশে দুইজন নিহত এবং ১০ জন নিখোঁজ হন।
এছাড়া দক্ষিণ-পশ্চিম চীনের ইয়া’আন শহরে ভূমিধসে তিনজনের মৃত্যু হয়।
তবে দেশের মধ্য ও পূর্বাঞ্চলে, গরম এবং আর্দ্র পরিস্থিতি বিরাজ করছে। আগামী সপ্তাহে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে।
চলতি বছর চীনে প্রাকৃতিক দুর্যোগে এরইমধ্যে ৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির জরুরি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
গত জুনে চীনের মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চলে বর্ষাকাল স্বাভাবিকের চেয়ে আগে আসায় ভূমিধস এবং আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়। এরআগে ২০১২ সালে বন্যায় ৭৯ জন মারা যায়।
আরএ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন



