তেহরানের সেন্টার ফর মিডল ইস্ট স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো আব্বাস আসলানির মতে, মার্কিন হামলার পর ইরান সম্ভাব্য তিনটি পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারে।
রোববার আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, প্রথমত ‘ক্ষতির পরিমাণের উপর নির্ভর করে সীমিত প্রতিক্রিয়া হতে পারে।’
তিনি আরো বলেন, ‘এটা ভুলে গেলে চলবে না যে পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে আক্রমণ ছাড়াও, এটি ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি অংশগ্রহণ। ইরান আগেই সতর্ক করে দিয়েছিল যে তারা এই হামলা জবাব দেবে।’
আব্বাস আসলানির মতে, ‘দ্বিতীয় প্রতিক্রিয়া হতে পারে একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ। যেখানে ইরান মার্কিন স্থাপনার পাশাপাশি ইসরাইলি স্থাপনায়ও ভয়াবহ আক্রমণ চালানোর চেষ্টা করবে। এরমধ্যে ইসরাইলি পারমাণবিক স্থাপনাসহ বিস্তৃত লক্ষ্যবস্তু অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। ইরানের সঙ্গে তার মিত্ররা যুদ্ধে যোগ দিতে পারে।’
তৃতীয় বিকল্পটি প্রথম ও দ্বিতীয় পয়েন্টের সংমিশ্রণ হতে পারে। তিনি হরমুজ প্রণালীর দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, এই প্রণালী বন্ধ করে দিলে এই অঞ্চলের শক্তির ভারসাম্য বাধাগ্রস্ত হতে পারে।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় শনিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দেন, ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় সফল হামলা সম্পন্ন করেছে। স্থাপনাগুলো হলো ফোরদো, নাতাঞ্জ ও ইস্পাহান।
ট্রাম্প নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, ‘আমরা ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনা—ফোরদো, নাতাঞ্জ ও ইস্পাহানে—খুবই সফলভাবে হামলা সম্পন্ন করেছি। সব বিমান এখন ইরানের আকাশসীমার বাইরে।’
প্রসঙ্গত, ইসরাইলের ৯ দিনের অব্যাহত হামলায় ইরানে নিহতের সংখ্যা ৪০০ ছাড়িয়েছে। নিহতদের মধ্যে ৫৪ জন নারী ও শিশু রয়েছে।
আরএ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন



