আমার দেশ জনপ্রিয় বাংলা নিউজ পেপার

ফিলিস্তিনি ঐতিহ্যের অংশ আল-আকসা, তবু সীমিত প্রবেশাধিকার

আমার দেশ অনলাইন

ফিলিস্তিনি ঐতিহ্যের অংশ আল-আকসা, তবু সীমিত প্রবেশাধিকার
ছবি: সংগৃহীত।

রমজানের প্রথম জুমায় আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে নামাজ আদায়ের ক্ষেত্রে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। দখলকৃত পশ্চিম তীরের ৩৩ লাখ মানুষের মধ্যে মাত্র ১০ হাজারকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আলজাজিরার সাংবাদিক নূর ওদেহ। অথচ এই মসজিদে প্রাঙ্গনে রোজার সময় কাটানো শত শত বছর ধরে ফিলিস্তিনি ঐতিহ্যের অংশ।

বিজ্ঞাপন

কালান্দিয়া চেকপয়েন্ট থেকে তিনি বলেন, ‘দখলকৃত পশ্চিম তীরে ৩৩ লাখ মানুষ বসবাস করেন। সেখানে মাত্র ১০ হাজার মানুষকে রমজানের প্রথম জুমায় নামাজ পড়ার অনুমতি দেওয়া সমুদ্রের তুলনায় এক ফোঁটা পানির মতো। বাস্তবে খুব অল্পসংখ্যকই ভেতরে প্রবেশ করতে পেরেছেন।’

তিনি জানান, আগের বছরগুলোতে পবিত্র এ স্থানে এক জুমায় সর্বোচ্চ আড়াই লাখ (২ লাখ ৫০ হাজার) মুসল্লি সমবেত হতে দেখা গেছে। কিন্তু এবার সেই সংখ্যার তুলনায় খুবই কম উপস্থিতি প্রত্যাশা করা হচ্ছে। অনুমতি পাওয়া ব্যক্তিরা মূলত দখলকৃত পশ্চিম তীর, পূর্ব জেরুজালেম এবং ইসরাইলের ভেতরে বসবাসরত ফিলিস্তিনি নাগরিকদের মধ্য থেকে আসবেন।

এদিকে কালান্দিয়া চেকপয়েন্টে শতাধিক মানুষ আটকে রয়েছেন বলে জানান ওদেহ। তিনি বলেন, অনেকে এখনো চেকপয়েন্টে দাঁড়িয়ে আছেন, আল-আকসায় পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন, কিন্তু তাদের বাধা দেওয়া হচ্ছে।

নূর ওদেহের মতে, নতুন এই বিধিনিষেধ ফিলিস্তিনি জনগোষ্ঠীর মধ্যে সামাজিক ও ধর্মীয় বন্ধন দুর্বল করার কাজ করছে। তিনি বলেন, ‘আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে যাওয়া ফিলিস্তিনি ঐতিহ্যের অংশ, যা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে, শত শত বছর ধরে চলে আসছে। সেখানে পুরো দিন কাটানো তাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।’

তিনি আরো বলেন, এ বছর অনেক ফিলিস্তিনি জেরুজালেমে গিয়ে রোজা ভাঙতে পারবেন না, যেমনটা তারা প্রতি বছর করে থাকেন। এটি দখলকৃত পূর্ব জেরুজালেম ও পশ্চিম তীরের বাকি অংশের মধ্যে সম্পর্ক ছিন্ন করার আরেকটি উপায় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এমএমআর

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন