যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ‘ভিসা বন্ড পাইলট প্রোগ্রাম’ কীভাবে কার্যকর হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস। সোমবার দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক পোস্টে এই কর্মসূচির ধাপগুলো তুলে ধরা হয়।
ভিসা বন্ড হলো এক ধরনের আর্থিক জামানত। কোনো কোনো দেশ নির্দিষ্ট বিদেশি নাগরিকদের সাময়িক ভিসা দেওয়ার আগে কিছু অর্থ জমা নিয়ে থাকে যেন তারা ভিসার শর্ত, বিশেষ করে থাকার সময়সীমা মেনে চলেন।
ভিসা বন্ড’ পাইলট প্রোগ্রাম যেভাবে কাজ করে
- ভিসা ইন্টারভিউর পর যোগ্য হলে কনসুলার কর্মকর্তা আপনাকে ‘pay.gov’-এর সরাসরি লিংকসহ পরিশোধের নির্দেশনা দেবেন।
- ৩০ দিনের মধ্যে বন্ড পরিশোধ করতে হবে।
- সর্বোচ্চ ৩ মাস মেয়াদি, একবার প্রবেশযোগ্য (সিঙ্গেল-এন্ট্রি) ভিসা দেওয়া হবে।
- নির্ধারিত কিছু পোর্ট অব এন্ট্রি দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে হবে।
- দেশে ফিরে আসার পর ভিসার সব শর্ত পূরণ হলে বন্ড স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হবে। আর অর্থ ফেরত দেওয়া হবে।
এসব শর্তের মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে কাজ না করা, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেশে ফেরা।
গত ৭ জানুয়ারি বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসন ভিসা স্থগিতের ঘোষণা দেয় যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর। একই সঙ্গে বাংলাদেশকে ‘ভিসা বন্ড’ পাইলট প্রোগ্রামের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
এই তালিকায় যুক্ত হওয়ায় বাংলাদেশি নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের ক্ষেত্রে ৫ হাজার থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড বা জামানত জমা দিতে হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিলে, এই পাইলট প্রোগ্রামের মূল উদ্দেশ্য হলো ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর যারা অবৈধভাবে থেকে যান, তাদের নিরুৎসাহিত করা।
যেসব দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে ফিরে না আসার হার তুলনামূলক বেশি, মূলত সেসব দেশকেই এই কর্মসূচির আওতায় আনা হয়েছে।
এই খবরের মধ্যেই বাংলাদেশিদের জন্য ভিসানীতিতে আবার নতুন শর্তের কথা জানাল যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস। সূত্র: বিবিসি বাংলা
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


বাংলাদেশিদের জন্য সর্বোচ্চ ৩ মাসের সিঙ্গেল-এন্ট্রি ভিসা দেবে যুক্তরাষ্ট্র