যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়ায় একটি ছোট শহরের মেয়র হঠাৎ করে পুরো পুলিশ বিভাগকে বরখাস্ত করেছেন। জানা গেছে, সমাজমাধ্যমে তার স্ত্রীকে নিয়ে সমালোচনার জেরে এমন পদক্ষেপ নেন কোহুটা শহরের মেয়র রন শিনিক। ১০ জন কর্মীকে বরখাস্ত করে সমালোচনার মুখে পড়েছেন তিনি।
এনডিটিভির এক প্রতিবেদন অনুসারে, কোহুটা শহরের মেয়র রন শিনিক দপ্তরে বিজ্ঞপ্তি জারি করেন। দপ্তরের দরজায় লাগানো একটি সাইনবোর্ডে ঘোষণা করা হয় ‘পুলিশ বিভাগ বিলুপ্ত এবং সব কর্মী বরখাস্ত ।’ আইনকানুন নিয়ে সমস্যা সমাধানের জন্য বাসিন্দাদের কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়ের ওপর নির্ভর করার পরামর্শ দেওয়ার কথা জানানো হয় সেই বিজ্ঞপ্তিতে।
এই বিতর্কের সূত্রপাত হয় গত মাসে। রনের স্ত্রী পাম শিনিক মেয়রের অফিসের সাবেক কর্মী। বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা অভিযোগ করেন যে, বরখাস্ত হওয়া সত্ত্বেও তিনি কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। ব্যক্তিগত ও গোপনীয় তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে তার। অফিসে যথাযথ পরিবেশ বজায় না রাখার অভিযোগে গত বছর পামকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। এক হাজারেরও কম জনসংখ্যার এই শহরে তাকে ঘিরে গুঞ্জন শুরু হয়ে যায়।
পুলিশ কর্মকর্তারা ফেসবুকের মতো সামাজিক মাধ্যমে পামকে নিয়ে সমালোচনা করার পর উত্তেজনা বাড়ে। আনুষ্ঠানিক অভিযোগের পর মেয়র পুলিশপ্রধান গ্রেগ ফাউলার এবং শহরের অ্যাটর্নি ব্রায়ান রেবার্নের সঙ্গে একটি যৌথ সংবাদ সম্মেলন করে দাবি করেন যে, খোলামেলা আলোচনা এবং মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়েছে। তবে, এর ঠিক এক সপ্তাহ পরেই পুলিশ সদস্যদের বরখাস্ত করা হয়।
বরখাস্ত হওয়া পুলিশ কর্মকর্তাদের বিভাগের সব সরঞ্জাম ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হুইটফিল্ড কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় ছোট শহরটির পুলিশি ব্যবস্থার দায়িত্ব নিতে চলেছে।
সূত্র: এনডিটিভি
আরএ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন



শান্তি আলোচনায় অচলাবস্থার জন্য দায়ী যুক্তরাষ্ট্র: আরাগচি
হরমুজ প্রণালিতে ড্রোন, যুদ্ধবিমান ও যুদ্ধজাহাজ মোতায়েনের সিদ্ধান্ত