জার্মানির বিভিন্ন শহরে সোমবার তীব্র শীতের মধ্যে গণপরিবহন ব্যবস্থা কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। দেশজুড়ে হাজার হাজার বাস ও ট্রাম কর্মী কর্মবিরতিতে যাওয়ায় স্টপেজগুলোতে দেখা যায় ফাঁকা প্ল্যাটফর্ম এবং বিপাকে পড়েন যাত্রীরা। এই ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে দেশটির বড় শ্রমিক ইউনিয়ন ভার্দি।
ভার্দি জানায়, পৌরসভা ও রাজ্য পর্যায়ের নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে কর্মপরিবেশ নিয়ে আলোচনা গত সপ্তাহে অচলাবস্থায় পড়ার পর তারা ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত নেয়। ইউনিয়নটি প্রায় ১ লাখ পরিবহন শ্রমিকের প্রতিনিধিত্ব করে। তাদের প্রধান দাবি হলো—শিফটের সময় কমানো, বিশ্রামের বিরতি বাড়ানো এবং রাত ও সপ্তাহান্তে কাজের জন্য অতিরিক্ত পারিশ্রমিক বৃদ্ধি।
এই কর্মবিরতির প্রভাব পড়েছে জার্মানির ১৬টি ফেডারেল রাজ্যের মধ্যে একটি বাদে বাকি সবগুলোতে। এতে প্রায় ১৫০টি পৌর পরিবহন কোম্পানির বাস ও ট্রাম চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বার্লিন, হামবুর্গ ও ব্রেমেনসহ বড় শহরগুলোতে যাতায়াতে চরম ভোগান্তি তৈরি হয়। ভার্দির প্রধান আলোচক সেরাত কানইয়ুর্ত জানান, নির্ধারিত সময়েই ধর্মঘট শুরু হয়েছে এবং এখন পরিবহন কর্তৃপক্ষকে আবার আলোচনায় ফিরতে হবে।
স্টুটগার্ট, কার্লসরুহে ও ফ্রাইবুর্গে পুরো দিনই পরিবহন সেবা বন্ধ থাকবে বলে ইউনিয়ন কর্মকর্তারা জানান। এর মধ্যে দেশের অনেক অংশে তাপমাত্রা শূন্যের নিচে নেমে যাওয়ায় বিকল্প পরিবহন খুঁজতে যাত্রীদের দুর্ভোগ আরো বেড়েছে।
তবে জার্মানির রাষ্ট্রীয় রেল অপারেটর ডয়চে বান জানিয়েছে, সোমবার তাদের এস-বান এবং দূরপাল্লার ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক থাকবে, কারণ এসব কর্মী ভার্দির আওতাভুক্ত নয়।
ইউনিয়ন নেতারা সতর্ক করে বলেছেন, আগামী ৯ ফেব্রুয়ারির আলোচনায় উল্লেখযোগ্য সমাধান না এলে সামনে আরও কঠোর কর্মসূচি হতে পারে।
সূত্র: রয়টার্স।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি শেষের পথে, সতর্ক করলেন মেদভেদেভ
কাবার পবিত্র কাপড় পাঠানো হয়েছিল যৌন অপরাধী এপস্টেইনকে
যুক্তরাষ্ট্রে তুষারঝড়ে ১০০ ছাড়াল মৃতের সংখ্যা