আমার দেশ জনপ্রিয় বাংলা নিউজ পেপার

আমেরিকানদের কাছে ‘দ্বিতীয় বাড়ি’ সৌদি আরব

আমার দেশ অনলাইন

আমেরিকানদের কাছে ‘দ্বিতীয় বাড়ি’ সৌদি আরব

সৌদি ভিশন ২০৩০–এর অধীনে দ্রুত রূপান্তরের ফলে দেশটিতে বসবাসরত অনেক আমেরিকান এখন দেশটিকে শুধু কর্মস্থল নয়, বরং ‘দ্বিতীয় বাড়ি’ হিসেবে দেখছেন। আরব নিউজের সঙ্গে কথা বলা মার্কিন নাগরিকরা সৌদি আরবের উষ্ণ আতিথেয়তা, নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক সুযোগ এবং উন্নত জীবনমানের প্রশংসা করেছেন।

বিজ্ঞাপন

রেড সি গ্লোবালের সিইও জন প্যাগানো, যিনি সম্প্রতি সৌদি নাগরিকত্ব পেয়েছেন, জানান যে এটি তার কাছে শুধু ব্যক্তিগত সম্মান নয়, বরং ভিশন ২০৩০–এর রূপান্তরমূলক যাত্রার একটি প্রতীকী মাইলফলক।

“আমি প্রায় আট বছর ধরে সৌদিতে আছি। দেশকে, মানুষকে ভালোবাসতে শিখেছি,” তিনি বলেন। নাগরিকত্ব ঘোষণার পর সৌদি জনগণের অভিনন্দন ও উষ্ণতায় তিনি অভিভূত হয়েছেন।

রিয়াদে বসবাসরত মার্কিন প্রবাসী এবং ডিকিউ লিভিং ম্যাগাজিনের সহ-প্রতিষ্ঠাতা মারিয়া কমেটি বলেন, ক্রাউন প্রিন্সের নেতৃত্বে ইতিবাচক মনোভাব ও অগ্রগতির প্রতি ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা তাকে অনুপ্রাণিত করে। একজন সৌদির স্ত্রী হিসেবে তিনি দেশের নিরাপত্তা ও পরিবারবান্ধব পরিবেশকে বিশেষভাবে মূল্যায়ন করেন।

ভিশন ২০৩০–এর অংশ হিসেবে বৈশ্বিক বিমান সংযোগ ও লজিস্টিক উন্নয়নে সৌদি আরব দ্রুত এগিয়ে চলেছে। প্রাথমিক পর্যটন লক্ষ্য ছাড়িয়ে দেশটি এখন ২০৩০ সালের মধ্যে ১৫ কোটি ভ্রমণ অর্জনের লক্ষ্য স্থির করেছে। এই উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় মার্কিন বিমান সংস্থা ডেল্টা এয়ার লাইনস আটলান্টা–রিয়াদ সরাসরি রুট চালুর ঘোষণা দিয়েছে।

ডেল্টার সিইও এড বাস্তিয়ান বলেন, “আমেরিকানরা সৌদি আরব ভ্রমণের জন্য প্রস্তুত—রিয়াদে এলে উন্নয়ন, সুযোগ, সংস্কৃতি এবং খাঁটি আতিথেয়তা সবাইকে আকর্ষণ করবে।”

সৌদি আরবের মানুষের উষ্ণতা, শক্তিশালী নিরাপত্তাব্যবস্থা, দ্রুত উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের বিশাল সম্ভাবনা—এসব মিলিয়ে আজ দেশটিকে অনেক আমেরিকান প্রবাসী সত্যিই তাদের “দ্বিতীয় বাড়ি” বলে মনে করছেন।

সূত্র: আরব নিউজ

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন