তাইওয়ান-চীন সাম্প্রতিক উত্তেজনার মাঝে নতুন বছরের শুভেচ্ছা বাণীতে নিজের দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার অঙ্গীকার করেছেন তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং। সম্প্রতি তাইওয়ানের প্রধান দ্বীপ ঘিরে ফেলার জন্য লাগাতার ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করেছে বেইজিং; এর পাশাপাশি বেশ কিছু যুদ্ধবিমান, নৌবাহিনীর জাহাজ এবং উপকূলরক্ষী বাহিনী মোতায়েন করেছে চীন। এই মহড়াকে ‘অত্যন্ত উস্কানিমূলক’ বলে নিন্দা জানিয়েছে তাইওয়ান।
চীন দাবি করে যে গণতান্ত্রিক তাইওয়ান তার ভূখণ্ডের অংশ, আর এটিকে যুক্ত করার জন্য চীন তার শক্তি প্রয়োগ করার হুমকি দিয়েছে।
তাইওয়ানের রাষ্ট্রপতির কার্যালয় থেকে টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক ভাষণে লাই বলেন, ‘আমার অবস্থান সবসময় স্পষ্ট-জাতীয় সার্বভৌমত্বকে দৃঢ়ভাবে রক্ষা করা, জাতীয় প্রতিরক্ষা এবং সমগ্র সমাজের স্থিতিশীলতা জোরদার করা, কার্যকর প্রতিরোধ প্রতিষ্ঠা করা এবং শক্তিশালী গণতান্ত্রিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা।’
তাইওয়ানের প্রধান নিরাপত্তা সমর্থক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, দেশটি তাইপেইতে অস্ত্র বিক্রির এক বিশাল দফা ঘোষণা করেছে এর পাশাপাশি জাপা্নও তাইওয়ানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। চীনের শক্তি প্রদর্শনের পর জাপানের প্রধানমন্ত্রী তার মন্তব্যে জানিয়েচেন তাইওয়ানের বিরুদ্ধে শক্তি প্রয়োগের ফলে টোকিও সামরিক প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে।
লাই বলেন, তাইওয়ানের প্রতি আন্তর্জাতিক সমর্থন ‘কখনও কম হয়নি’, যা ইঙ্গিত দেয় যে ‘তাইওয়ান এখন আর কেবল তাইওয়ান নয়, তার পাশে দাঁড়ানোর মতো দেশ রয়েছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

