এল-সাইদের বিরুদ্ধে মুসলিম ব্রাদারহুডকে সমর্থনের কোনো প্রমাণ নেই

এল-সাইদের বিরুদ্ধে মুসলিম ব্রাদারহুডকে সমর্থনের কোনো প্রমাণ নেই

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের আসন্ন সিনেট নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক প্রার্থী আবদুল এল-সাইদের বিরুদ্ধে মুসলিম ব্রাদারহুডকে সমর্থন দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্স ও তার সহযোগীরা। তবে এ অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। মিশিগানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ব্রিজ মিশিগানের এক তথ্য যাচাই প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে।

দলীয় প্রাথমিক নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের সিনেট প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হওয়ার পর গত ৫ আগস্ট এক বিবৃতিতে রজার্স দাবি করেন, এল-সাইদ ‘মুসলিম ব্রাদারহুডকে সমর্থনের অঙ্গীকার করেছেন’। তবে ব্রিজ মিশিগানের পর্যালোচনায় বলা হয়েছে, এল-সাইদের সঙ্গে সংগঠনটির সরাসরি সম্পর্ক থাকার কিংবা তিনি সংগঠনটিকে সমর্থনের অঙ্গীকার করেছেন—এমন কোনো প্রমাণ নেই। যদিও মিসরের রাজনীতি ও দেশটির কয়েকজন রাজনীতিককে নিয়ে তিনি বিভিন্ন সময়ে মতামত দিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

২০২৬ সালের নির্বাচনি প্রচারে রিপাবলিকানরা এল-সাইদকে মুসলিম ব্রাদারহুডের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। সংগঠনটি ঐতিহাসিকভাবে ইসলামি আইনভিত্তিক রাজনৈতিক ব্যবস্থার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্র সংগঠনটির কয়েকটি শাখাকে হামাসকে সমর্থন দেওয়ার অভিযোগে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করেছে। তবে এসব তথ্যের সঙ্গে এল-সাইদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক থাকার প্রমাণ মেলেনি।

মিসরীয় বংশোদ্ভূত এবং মিশিগানে জন্ম ও বেড়ে ওঠা মুসলিম এল-সাইদকে ঘিরে এ ধরনের অভিযোগ নতুন নয়। তার পুরো আরবি নাম আবদুলরহমান মোহাম্মদ এল-সাইদ নিয়েও সমালোচনা করেছেন কেউ কেউ। গত মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, ‘সব জায়গায় জিহাদিরা নির্বাচিত হচ্ছেন’। ওয়াশিংটন পোস্ট ও সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অব অর্গানাইজড হেটের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এল-সাইদের ধর্মীয় পরিচয় বারবার আলোচনায় এসেছে।

ইসলামি সংগঠনগুলো এসব আক্রমণকে বর্ণবাদী, ইসলামবিদ্বেষী এবং মিশিগানের মুসলিম বাসিন্দাদের জন্য ক্ষতিকর বলে আখ্যা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে আরব বংশোদ্ভূত মানুষের অন্যতম বৃহৎ জনগোষ্ঠীর বসবাস এ অঙ্গরাজ্যে।

মুসলিমদের নাগরিক অধিকার ও স্বার্থ নিয়ে কাজ করা কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনসের মিশিগান শাখার প্রধান আইনজীবী অ্যামি ভি. ডুকুরে বলেন, অন্য কোনো জনগোষ্ঠীকে মুসলিমদের মতো সামষ্টিক অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত হতে দেখা যায় না। তার ভাষ্য, কোনো ব্যক্তির সঙ্গে বিতর্কিত ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর মিথ্যা সম্পর্ক জুড়ে দিলেও মুসলিম সম্প্রদায়কে কলঙ্কিত করা সম্ভব হয়। কয়েক দশক ধরে এভাবেই সম্প্রদায়টিকে হেয় করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, রজার্সের যোগাযোগবিষয়ক পরিচালক অ্যালিসা ব্রুইয়েট এক বিবৃতিতে বলেছেন, রজার্স মুসলিম সম্প্রদায়সহ সব ধর্মীয় গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বিদ্বেষের তীব্র নিন্দা জানান। তবে তার দাবি, এল-সাঈদের কিছু বক্তব্য উদ্বেগের কারণ তৈরি করেছে। এর মধ্যে ব্লুমফিল্ড হিলসের একটি ইহুদি উপাসনালয়ে হামলার পর এল-সাইদের দেওয়া একটি বক্তব্যও রয়েছে, যার জন্য তিনি পরে ক্ষমা চেয়েছিলেন।

নিজের বিরুদ্ধে চলা আক্রমণ নিয়ে এল-সাইদ বলেন, রজার্স, ট্রাম্প ও ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের মতো বিরোধীরা এমন একটি আমেরিকা চান, যা তাদের নিজেদের মতোই সংকীর্ণ। তার নির্বাচনি প্রচারাভিযান এমন একটি দেশের পক্ষে, যেখানে সবার জন্য জায়গা থাকবে। এল-সাইদের ভাষায়, যেসব সমস্যা মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে, সেগুলোর সমাধান বিরোধীদের কাছে নেই বলেই তারা বিভাজন তৈরির চেষ্টা করছেন। পরে এমএসনাউকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘জিহাদ যদি কিছু হয়, তবে তা হবে চিকিৎসা ব্যয়ের ঋণের বিরুদ্ধে লড়াই।’

অভিযোগের ভিত্তি কী?

রজার্সের নির্বাচনি ওয়েবসাইট, প্রচারসামগ্রী এবং ন্যাশনাল রিপাবলিকান সিনেটোরিয়াল কমিটির বিজ্ঞাপনেও এল-সাইদের বিরুদ্ধে মুসলিম ব্রাদারহুড-সম্পর্কিত অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে। রজার্সের প্রচারাভিযানের তৈরি StopAbdul.com ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, ২০১১ সালে এল-সাইদ মিসরের বিপ্লবী আন্দোলনকে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন এবং মুসলিম ব্রাদারহুড ক্ষমতায় আসতে পারে—এমন উদ্বেগকে গুরুত্ব দেননি।

রিপাবলিকান ন্যাশনাল কমিটি ও অন্য রক্ষণশীল গোষ্ঠীগুলোও এল-সাইদের বিরুদ্ধে ‘ইসলামি চরমপন্থার সঙ্গে উদ্বেগজনক সম্পর্ক’ থাকার অভিযোগ তুলেছে। তার পরিবারের সদস্যদের ইসলামি সংগঠনের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়েও সমালোচনা করা হয়েছে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে রজার্স একটি রক্ষণশীল সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন ফ্রি বীকনের প্রতিবেদন শেয়ার করেন। ওই প্রতিবেদনে এল-সাইদের শ্বশুরকে এমন একটি ইসলামি সংগঠনের ‘শীর্ষ নেতাদের একজন’ বলা হয়, যেটিকে মুসলিম ব্রাদারহুডের প্রকাশ্য সংগঠন হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

তবে মিশিগান রিপাবলিকান পার্টির চেয়ারম্যান জিম রানেস্টেড এসব অভিযোগের গুরুত্ব কমিয়ে দেখেছেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, রজার্সের প্রচারশিবির দলটিকে এল-সাইদের পুরো নাম ব্যবহার না করতে বলেছিল। ব্রিজ মিশিগানকে রানেস্টেড বলেন, দুই প্রার্থীর নীতিগত অবস্থানের মধ্যে বড় ব্যবধান রয়েছে। তার মতে, এল-সাইদ মুসলিম বা আরব বংশোদ্ভূত কি না, তা তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়; বরং মিশিগানের মানুষের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ই নির্বাচনে প্রাধান্য পাওয়া উচিত।

এল-সাঈদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সূত্র হিসেবে রজার্স ও তার সহযোগীরা ২০১১ সালে হাফপোস্টে প্রকাশিত তার একটি মতামত নিবন্ধের কথা উল্লেখ করেছেন। সে সময় কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে মহামারিবিদ্যার সহকারী অধ্যাপক ছিলেন এল-সাইদ। মিসরের রাজনৈতিক আন্দোলন নিয়ে লেখা নিবন্ধে তিনি তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার প্রশাসনকে বিক্ষোভকারীদের সমর্থন দেওয়ার আহ্বান জানান। মিসরে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ মুসলিম ব্রাদারহুডের হাতে ক্ষমতা তুলে দিতে পারে—এমন আশঙ্কার গুরুত্বও তিনি কমিয়ে দেখেছিলেন। তার যুক্তি ছিল, এমনটি ঘটলেও পরবর্তী রাষ্ট্রব্যবস্থা ইরানের মতো হবে না।

তবে ওই নিবন্ধে এল-সাইদ মুসলিম ব্রাদারহুডকে সমর্থনের অঙ্গীকার করেননি। ২০১২ সালে মিসরের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসির পক্ষে লেখা একটি যৌথ চিঠিতেও তিনি সংগঠনটিকে সমর্থনের অঙ্গীকার করেননি। মুরসি মুসলিম ব্রাদারহুডের সমর্থন নিয়ে নির্বাচিত হয়েছিলেন।

এল-সাইদের শ্বশুরের সঙ্গে মুসলিম ব্রাদারহুডের সম্পর্ক থাকার অভিযোগের ভিত্তি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি বড় মুসলিম সংগঠন—ইসলামিক সোসাইটি অব নর্থ আমেরিকা (আইএসএনএ) এবং কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনসের (কেয়ার) সঙ্গে তার অতীত ভূমিকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সংগঠন দুটি হলি ল্যান্ড ফাউন্ডেশন ফর রিলিফ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট মামলায় ফেডারেল কৌঁসুলিদের নথিতে ‘অভিযোগ গঠন না করা সহ-ষড়যন্ত্রকারী’ হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছিল। ওই মামলায় হলি ল্যান্ড ফাউন্ডেশনের সাবেক পাঁচ নেতাকে হামাসের কাছে লাখ লাখ ডলার পাঠানোর দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।

তবে আইএসএনএ ও কেয়ার—কোনো সংগঠনকেই ওই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়নি। ২০১০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম সার্কিট আপিল আদালতের এক রায়ে বলা হয়, মামলায় সংশ্লিষ্ট আরেকটি সংগঠন নর্থ আমেরিকান ইসলামিক ট্রাস্টকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে ‘অভিযোগ গঠন না করা সহ-ষড়যন্ত্রকারী’ হিসেবে চিহ্নিত করায় তার অধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছিল। কেয়ারও মুসলিম ব্রাদারহুডের সঙ্গে সংগঠনটির সম্পর্ক স্থাপনের প্রচেষ্টাকে ‘বিশুদ্ধ ম্যাকার্থিবাদ’ বলে অভিহিত করেছে। তাদের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, হলি ল্যান্ড ফাউন্ডেশন মামলায় সংগঠনটির নাম অন্তর্ভুক্ত করা ছিল অপ্রমাণিত অভিযোগ, যার কোনো আইনি গুরুত্ব বা পরিণতি নেই।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে হামাসকে সমর্থন দেওয়ার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্র মিসরে মুসলিম ব্রাদারহুডের শাখাকে ‘বিশেষভাবে চিহ্নিত বৈশ্বিক সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করে। তবে ২০১১ ও ২০১২ সালে, যখন এল-সাইদ মিসরের রাজনৈতিক আন্দোলনকে সমর্থন দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন, তখন এ তালিকাভুক্তি কার্যকর ছিল না।

মুসলিমদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ নিয়ে উদ্বেগ

এল-সাইদকে ঘিরে ধর্মীয় পরিচয়ভিত্তিক আক্রমণের প্রভাব শুধু নির্বাচনি রাজনীতিতে সীমাবদ্ধ নয় বলে মনে করেন কেয়ার-মিশিগানের আইনজীবী ডুকুরে। উদাহরণ হিসেবে তিনি ডানপন্থি কর্মী জেক ল্যাংয়ের নেতৃত্বে ডিয়ারবর্নে সাম্প্রতিক ইসলামবিরোধী বিক্ষোভের কথা উল্লেখ করেন।

ডুকুরে জানান, এল-সাইদের মনোনয়নের পর ইসলামি সংগঠন ও ধর্মীয় নেতাদের বিরুদ্ধে হয়রানি এবং সহিংসতার হুমকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ল্যাংয়ের নেতৃত্বে বিক্ষোভের পর টানা তিন দিনে কেয়ার-মিশিগান স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তিনটি মৃত্যুর হুমকির কথা জানিয়েছিল। পরিস্থিতির উত্তেজনা কমাতে মূলধারার রাজনীতিকদের এসব ঘটনাকে স্পষ্টভাবে বর্ণবাদ, বিদেশিবিদ্বেষ ও ইসলামবিদ্বেষ হিসেবে চিহ্নিত করা উচিত।

মুসলিম ব্রাদারহুডের সঙ্গে এল-সাইদের সম্পর্ক থাকার অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ দিতে বলা হলে রজার্সের প্রচারশিবির সব ধর্মীয় গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বিদ্বেষের নিন্দা জানায়। একই সঙ্গে তারা ইহুদি উপাসনালয়ে হামলার পর এল-সাইদের বক্তব্য এবং ইসরাইল-সমালোচক টুইচ স্ট্রিমার হাসান পাইকারের সঙ্গে তার সম্পর্কের সমালোচনা করে। পাইকারও বিভিন্ন সময়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন।

গত ১ সেপ্টেম্বর মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটির এক জরিপে দেখা গেছে, আসন্ন সাধারণ নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এমন ৩৭ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছেন, কোনো প্রার্থী মুসলিম হলে তাকে ভোট দেওয়ার সম্ভাবনা তাদের কমে যায়। বিশ্ববিদ্যালয়টির ইনস্টিটিউট ফর পাবলিক পলিসি অ্যান্ড সোশ্যাল রিসার্চের পরিচালক ম্যাট গ্রসম্যান বলেন, এ ফলাফল বিভিন্ন গবেষণার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তার মতে, ভোটাররা এখনো প্রার্থীর ধর্মীয় পরিচয়কে স্পষ্টভাবে বিবেচনায় নেন।

গ্রসম্যান আরো বলেন, ডেমোক্র্যাটদের উত্তপ্ত প্রাথমিক নির্বাচন এবং প্রচারে পররাষ্ট্রনীতির বিষয়গুলো গুরুত্ব পাওয়ায় এল-সাইদের সমালোচকেরা ভোটারদের এমন মনোভাব কাজে লাগাতে আরও উৎসাহিত হয়ে থাকতে পারেন। তার ভাষায়, কোনো আক্রমণ নির্বাচনে প্রভাব ফেলছে বলে মনে হলে বিরোধীরা কখনো কখনো সেটি আরও জোরালো করে এবং কত দূর যাওয়া যায়, তা পরীক্ষা করে দেখে।

২০১৮ সালের মতো এবারও এল-সাইদের সঙ্গে মুসলিম ব্রাদারহুডের সরাসরি সম্পর্ক থাকার অভিযোগের পক্ষে পর্যাপ্ত প্রমাণ নেই। তিনি মিসরের রাজনীতি নিয়ে মতামত দিয়েছেন এবং ২০১১ সালে দেশটির রাজনৈতিক আন্দোলনের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন চেয়েছেন। কিন্তু সংগঠনটিকে সমর্থনের অঙ্গীকার করেছেন—এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

সূত্র: ব্রিজ মিশিগান

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...