আমার দেশ জনপ্রিয় বাংলা নিউজ পেপার

ইরানে সম্ভাব্য হামলা নিয়ে বিভক্ত ট্রাম্প প্রশাসন

আমার দেশ অনলাইন

ইরানে সম্ভাব্য হামলা নিয়ে বিভক্ত ট্রাম্প প্রশাসন
ছবি: টিআরটি ওয়ার্ল্ড

ইরানে চলমান বিক্ষোভের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র কী ধরনের পদক্ষেপ নেবে তা নিয়ে বিভক্ত হয়ে পড়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। নিষেধাজ্ঞা, সাইবার ব্যবস্থা ও সামরিক পদক্ষেপসহ বিভিন্ন বিকল্প নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। তবে এর পরিণতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন মার্কিন সামরিক ও রাজনৈতিক মহলের একাংশ। খবর টিআরটি ওয়ার্ল্ডের।

ইরানে বিক্ষোভের বিষয়ে সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া নিয়ে মঙ্গলবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অবহিত করা হতে পারে বলে জানিয়েছে ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল। সেই বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ এবং জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান ড্যান কেইন বৈঠকে যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

এদিকে নিউইয়র্ক টাইমসকে দেয়া মন্তব্যে এক জ্যেষ্ঠ মার্কিন সামরিক কর্মকর্তা বলেছেন, সম্ভাব্য কোনো হামলার আগে সেনা মোতায়েন ও প্রস্তুতির জন্য আরো সময় প্রয়োজন হবে। তার মতে, এর মধ্যে অবস্থান সুসংহত করা এবং ইরানের সম্ভাব্য পাল্টা হামলা মোকাবিলায় প্রতিরক্ষা জোরদারের বিষয়গুলোও রয়েছে।

মার্কিন কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেছেন, সামরিক পদক্ষেপের ফল অনাকাঙ্ক্ষিত হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে, ইরানের জনগণ সরকারের পক্ষে একত্রিত হয়ে যাওয়া অথবা পুরো অঞ্চলে পাল্টা হামলার সূত্রপাত হওয়া।

মূলত গত ডিসেম্বরের শেষ দিক থেকে ইরানি মুদ্রা রিয়ালের ব্যাপক অবমূল্যায়ন ও ক্রমাবনত অর্থনৈতিক পরিস্থিতির প্রতিবাদে ইরানে বিক্ষোভ চলছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রকাশ্যে তেহরানকে বিক্ষোভ দমনে কঠোরতা না দেখানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তবে ইরানি কর্মকর্তারা এসব বক্তব্যকে ‘বেপরোয়া হস্তক্ষেপ’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের দুই প্রধান দলের একাধিক আইনপ্রণেতাও প্রশ্ন তুলেছেন যে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ আদৌ যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সবচেয়ে ভালো পথ কি না। রোববার টেলিভিশন চ্যানেলের সাক্ষাৎকারে অন্তত দুই মার্কিন সিনেটর সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন। রিপাবলিকান সিনেটর র‍্যান্ড পল এবিসি নিউজকে বলেন, ‘ইরানে বোমা হামলা চালালে সেটি যে কাঙ্ক্ষিত ফল দেবে, আমি তা নিশ্চিত নই।’

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন