ইরানের তেল শোধনাগারে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। পাশাপাশি পানি বিশুদ্ধকরণ কেন্দ্রেও হামলা হয়েছে। এ হামলার ভয়াবহ পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে সতর্ক করে দিয়েছে ইরান।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে বলেন, ‘কেশম দ্বীপে একটি পানি বিশুদ্ধকরণ কেন্দ্রে আক্রমণ করে যুক্তরাষ্ট্র স্পষ্ট ও মারাত্মক অপরাধ করেছে। এতে ৩০টি গ্রামের জন্য পানি সরবরাহ বিঘ্নিত হচ্ছে। ইরানের অবকাঠামোতে আক্রমণ করা একটি বিপজ্জনক পদক্ষেপ, যার পরিণতি ভয়াবহ। যুক্তরাষ্ট্র এই নজির স্থাপন করেছে, ইরান নয়।’
তেহরান থেকে আল জাজিরার সংবাদদাতা মোহাম্মদ ভল বলেন, এই হামলা ইরানে ব্যাপক উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় যখন ইরান নজির স্থাপনের কথা বলে, তখন তারা একই ধরনের প্রতিক্রিয়ার কথা ভাবছে। আমরা জানি যে উপসাগরের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোর মধ্যে একটি হলো পানি বিশুদ্ধকরণ কেন্দ্র।’
উপসাগরীয় দেশগুলোকে ইরানে আগ্রাসনের যুদ্ধে সহায়তা এবং প্ররোচনাকারী হিসেবে বিবেচনা করে থাকে তেহরান। তিনি বলেন, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই কথিত নজিরের পর, ইরান উপসাগরে পানি বিশুদ্ধকরণ স্থাপনাগুলোতে হামলা চালাবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।’
তার মতে, এমনটা হলে বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি হবে। কারণ উপসাগরীয় অঞ্চল পানি সরবরাহের ৯০ শতাংশ পানি বিশুদ্ধকরণ কেন্দ্রের ওপর নির্ভর করে।
আরএ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


লেবাননের বেকা উপত্যকায় ইসরাইলি হামলায় নিহত ৪১
ইরানের নৌ-বিমানবাহিনী ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংসের দাবি ট্রাম্পের