গ্রিনল্যান্ড দখলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির জেরে দ্বীপটিতে সেনা মোতায়েন করেছে ইউরোপ। তবে হোয়াইট হাউস বলছে, সেনা মোতায়েন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের লক্ষ্য পূরণে কোনো প্রভাব ফেলবে না। বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিট সাংবাদিকেদের এ কথা বলেন। খবর টিআরটি ওয়ার্ল্ডের।
লিভিট বলেন, ‘আমি মনে করি না যে ইউরোপীয় সেনারা প্রেসিডেন্টের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করবে, এমনকি গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণে তার লক্ষ্যকেও প্রভাবিত করবে না।’
ডেনমার্ক, গ্রিনল্যান্ড ও যুক্তরষ্ট্রের মধ্যে বৈঠকের কথা উল্রেখ করে তিনি বলেন, ‘সেই বৈঠকে উভয় পক্ষই একটি কর্মী গ্রুপ গঠনে সম্মত হয়েছে, যারা গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের বিষয়ে প্রযুক্তিগত আলোচনা চালিয়ে যাবে। আমাকে বলা হয়েছে, প্রতি দুই থেকে তিন সপ্তাহ পরপর এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।’
এদিকে, বৃহস্পতিবার ডেনমার্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লার্স লোকে রাসমুসেন সামাজিক মাধ্যমে লেখেন, ‘আর্কটিকের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা বাড়াতে হবে— এই লক্ষ্যে আমরা একমত, কিন্তু পদ্ধতিতে আমরা একমত নই।’ তিনি বলেন, ‘এটি ২০২৬ সাল, এখন আপনি মানুষের সঙ্গে বাণিজ্য করতে পারেন, কিন্তু আপনি মানুষ নিয়ে বাণিজ্য করতে পারেন না।’
ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেছেন, তিনি গ্রিনল্যান্ড নিয়ন্ত্রণে নিতে চান, কিন্তু গ্রিনল্যান্ডবাসী বলছেন যে এটি বিক্রির জন্য নয়।
দ্বীপটি ডেনমার্কের একটি আধাস্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। সে দেশের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন সতর্ক করে বলেছেন, যদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জোর করে গ্রিনল্যান্ড দখল করার চেষ্টা করে, তাহলে এটি ন্যাটোর ভেঙে যাওয়ার কারণ হতে পারে।
আরএ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


আমরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক সংঘাতকে ভয় পাই না
ট্রাম্পের মিলিটারি হুঁশিয়ারি ইরানের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করছে: জাতিসংঘ