কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ জানিয়েছেন, পয়লা বৈশাখের মধ্যে কৃষক কার্ড কার্যক্রম শুরু করা হবে। তবে এটি প্রাথমিকভাবে পাইলট আকারে ৮ থেকে ৯টি উপজেলায় চালু হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
বুধবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মিটিং হয়েছে। আমরা যারা ওই কমিটিতে ছিলাম, আমরা আশা করছি যে, ইনশাআল্লাহ পয়লা বৈশাখের মধ্যে আমরা শুরু করতে পারব। আশা করি পয়লা বৈশাখের মধ্যে আমরা শুরু করার চিন্তা করছি এবং আশা করি পারব।’
এটি সারা দেশে একযোগে নাকি পাইলট ভিত্তিতে চালু হবে—এ প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘পাইলট আকারে যাবে এটা। এখন ৮-৯টা উপজেলার মধ্যে যাবে।’
একটি কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা কী ধরনের সুবিধা পাবেন—জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘যারা প্রান্তিক কৃষক আছে, একেবারে প্রান্তিক কৃষক; তাদেরকে কিছু বেনিফিট দেব ফ্যামিলি কার্ডের মতো। আর পরে একচুয়ালি আমাদের এই কার্ডের মূল উদ্দেশ্য যেটা আছে সেটা হলো উৎপাদন, ভোক্তা, কৃষি জমি, কৃষির পণ্য, ভ্যারাইটি—সবকিছু যেন নিয়মতান্ত্রিকভাবে কৃষক পেতে পারে এবং গভর্মেন্টের কাছে যেন সমস্ত তথ্য সঠিকভাবে আসতে পারে।’
বিনামূল্যে সার-বীজের কথা বলা হয়েছিল। বিনামূল্যে সার-বীজ কি পাবে কৃষকরা-এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বিনামূল্যে সার বোধহয় প্রান্তিক কৃষকদের ব্যাপারে বা একেবারে গরিব কৃষকদের প্রশ্নে বোধহয় ছিল। এটা নিয়ে আজকে আমাদের আলোচনা হয়নি।’
আপনাদের কাছে কৃষক মানে কারা আসলে থাকবে এই পাইলট প্রজেক্টে? কৃষক হিসেবে কাদেরকে আপনারা চিহ্নিত করছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘যারা উৎপাদনের সাথে জড়িত তারা।’
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

