এখন থেকে কর্মক্ষেত্রে সহকর্মীদের ধর্মান্তরের প্রস্তাব দিতে পারবেন যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি কর্মীরা। এ বিষয়ে গত সোমবার একটি স্মারকলিপি প্রকাশ করেছে অফিস অব পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট (ওপিএম)। এতে সরকারি কর্মীদের ‘ধর্মীয় স্বাধীনতা’ জোরদার করার লক্ষ্যে সুরক্ষার রূপরেখা দেওয়া হয়েছে। খবর টিআরটি গ্লোবালের।
ওপিএমের পরিচালক স্কট কুপোর এক বিবৃতিতে জানান, সরকারি কর্মীরা কর্মক্ষেত্রে নিজের ধর্মের কেন সঠিক সে বিষয়ে অন্য সহকর্মীকে বোঝাতে পারবেন।
বিবৃতি অনুসারে, অফিসের তত্ত্বাবধায়করা তাদের কর্মীদের নিজেদের ধর্মে ধমান্তরিত হওয়ার আমন্ত্রণ জানাতে পারবেন। তবে এ বিষয়ে কাউকে হয়রানি করা যাবে না। সেইসঙ্গে অধীনস্ত কোন কর্মী তার ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে শাস্তি দেওয়া যাবে না।
স্মারকলিপিতে আরো বলা হয়েছে, ‘বিরতির সময় নিজের ধর্মীয় বিশ্বাস কেন সঠিক সে বিষয়ে আলোচনা করতে পারবেন সহকর্মীরা। এমনকি ধর্মান্তরের প্রস্তাবও দেওয়া যাবে। তবে কেউ যদি এ বিষয়ে আলোচনা করতে না চায়, তাহলে তার মতামতের প্রতি সম্মান জানাতে হবে।’
পাঁচ পৃষ্ঠার স্মারকলিপি অনুযায়ী, সরকারি কর্মচারীরা এখন থেকে তাদের কর্মক্ষেত্রে ধর্মীয় প্রতীক, যেমন বাইবেল, ক্রুশ বা প্রার্থনা পুঁতি প্রদর্শন করতে পারবেন। অফিসের বাইরে প্রার্থনায় যোগদান বা আয়োজন করতে পারবেন, সহকর্মীদের সাথে তাদের বিশ্বাস নিয়ে আলোচনা করতে পারবেন বা ভাগ করে নিতে পারবেন।
স্মারকলিপিতে জোর দিয়ে বলা হয়েছে, অফিসের তত্ত্বাবধায়করাও ধর্মীয় বিশ্বাস প্রকাশ করতে পারবেন। তবে তারা অধীনস্ত কর্মীদের কোন ধরনের চাপ দিতে পারবেন না।
এই স্মারকলিপি মার্কিন আইনের দীর্ঘস্থায়ী সুরক্ষার ওপর ভিত্তি করে তৈরি। যার মধ্যে রয়েছে নাগরিক অধিকার আইনের প্রথম সংশোধনী, যা ধর্মীয় বৈষম্য নিষিদ্ধ করে।
আরএ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


