মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজায় বোমাবর্ষণ বন্ধের আহ্বান জানানোর পরও হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরাইল। তাহলে কি ট্রাম্পকেই পাত্তা দিচ্ছেন না নেতানিয়াহু? উপত্যকাটিতে সকাল থেকে এ পর্যন্ত আরো ২০ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে দখলদার নেতানিয়াহু বাহিনী।
শনিবার কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল-জাজিরা এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
গাজার সিভিল ডিফেন্স সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, শনিবার ভোর থেকে ইসরায়েলি বাহিনী গাজাজুড়ে একের পর এক বিমান হামলা ও আর্টিলারি শেলিং চালিয়েছে।
গাজার সিভিল ডিফেন্স সংস্থা জানিয়েছে—হামাস সমঝোতায় রাজি হওয়ার পরও ট্রাম্পের বোমাবর্ষণ বন্ধের আহ্বান উপেক্ষা করে ইসরাইল গাজা শহরে ডজন ডজন বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণ চালিয়েছে। ভোর থেকে এখন পর্যন্ত গাজা উপত্যকার বিভিন্ন এলাকায় ২০ জন নিহত হয়েছেন।
সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র মাহমুদ বাসসাল ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেছেন, ‘এটি ছিল এক ভয়াবহ রাত, যেখানে ইসরাইলি সেনাবাহিনী গাজা শহর ও উপত্যকার অন্যান্য এলাকায় ডজন ডজন বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণ চালায়, যদিও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বোমাবর্ষণ বন্ধের আহ্বান জানিয়েছিলেন।’
বাসসাল আরও জানান—রাতভর বোমাবর্ষণে ২০টি বাড়ি ধ্বংস হয়েছে।
গাজা শহরের ব্যাপ্টিস্ট হাসপাতাল এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তুফাহ পাড়ার একটি বাড়িতে হামলায় নিহত ও আহতদের তারা গ্রহণ করেছে—নিহতদের মধ্যে চারজনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে, আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন।
এদিকে, খান ইউনিসের নাসের হাসপাতাল জানিয়েছে, বাস্তুচ্যুত গাজাবাসীদের এক শিবিরে তাঁবুর ওপর ড্রোন হামলায় দুই শিশু নিহত হয়েছে এবং আরো আটজন আহত হয়েছে।
এর আগে ইসরাইলকে অবিলম্বে ফিলিস্তিনের গাজায় বোমাবর্ষণ বন্ধের আহ্বান জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় শুক্রবার হামাস মার্কিন পরিকল্পনার কিছু শর্ত মেনে নিয়ে জিম্মিদের মুক্তি দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়ার পর এ আহ্বান জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
এদিকে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল—হামাসের প্রতিক্রিয়ার পর ইসরাইল ট্রাম্পের পরিকল্পনার প্রথম ধাপ হিসেবে জিম্মিদের মুক্তি বাস্তবায়নের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


ট্রাম্পের প্রস্তাবে যেসব বিষয়ে সম্মত হলো হামাস
ফ্লোটিলা থেকে আটক ১৩৭ জনকে তুরস্কে পাঠালো ইসরাইল