চলতি বছরের জুন মাসে ইরানের ওপর হামলা চালায় ইসরাইল। সেই হামলায় ইসরাইলের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে আমেরিকাও ইরানের পারমাণবিক কেন্দ্রে আক্রমণ করে। ১২ দিনের সেই যুদ্ধে ইসরাইলের ১৬ পাইলট নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনির জ্যেষ্ঠ সামরিক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল ইয়াহিয়া রহিম-সাফাভি।
এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, এই যুদ্ধের প্রথম দিকে বিমান প্রতিরক্ষা ও গোয়েন্দা ক্ষেত্রে ইরানের দুর্বলতা সামনে এলেও এখন সেগুলো দ্রুত শনাক্ত করে সংস্কার ও পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।
তার মতে, যুদ্ধের প্রথম দুই বা তিন দিনে ইরানের কিছু ঘাটতি দেখা গেলেও চতুর্থ দিন থেকে পরিস্থিতি পাল্টে যায়। শেষ পর্যায়ে এসে ইরান যুদ্ধের নিয়ন্ত্রণ ও পূর্ণ আধিপত্য কায়েম করে। তিনি আরো বলেন, বিদেশি মূল্যায়ন অনুসারে প্রায় ৬০ শতাংশ পর্যবেক্ষক ইরানকে এ যুদ্ধে বিজয়ী হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
রহিম-সাফাভি বলেন, ইসরাইল তার ঘোষিত লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে। না তারা ইরানকে অভ্যন্তরীণভাবে অস্থিতিশীল করতে পেরেছে, না গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো বা সামরিক ও পারমাণবিক ক্ষমতা ধ্বংস করতে পেরেছে। যদিও ইরান ঠিকই তার লক্ষ্য পূরণে সক্ষম হয়েছে।
ইরান শত্রু কমান্ড-অ্যান্ড-কন্ট্রোল সেন্টার, বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং টার্মিনালগুলোতে আঘাত করেছিল, যা অপর পক্ষকে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য করে। তিনি আরো দাবি করেন, অভিযানের সময় ১৬ জনেরও বেশি ইসরাইলি পাইলট নিহত হয়েছেন। এছাড়া ইরান শত্রুপক্ষের ৬৪০টিরও বেশি বিমান প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করেছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


ইসরাইল ঘৃণ্য শক্তিতে পরিণত হয়েছে: খামেনি