ককরোচ পার্টির বিক্ষোভ ঠেকাতে ১০ অস্থায়ী আটককেন্দ্র প্রস্তুত করেছে মোদি সরকার

ককরোচ পার্টির বিক্ষোভ ঠেকাতে ১০ অস্থায়ী আটককেন্দ্র প্রস্তুত করেছে মোদি সরকার
ছবি: সংগৃহীত

ভারতজুড়ে শনিবারের বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লিতে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর (সিএপিএফ) ২২১ কোম্পানি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। আন্দোলনকারীদের আটক রাখার জন্য অন্তত ১০টি অস্থায়ী আটককেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলেও দাবি করেছেন আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি।

বিজ্ঞাপন

এ ছাড়া দিল্লির প্রায় ৫৭টি গুরুত্বপূর্ণ মেট্রো স্টেশনের প্রবেশপথ বন্ধ রাখার আবেদন, হোটেল ও গেস্টহাউসে নতুন অতিথিদের কক্ষ না দেওয়ার নির্দেশ এবং আন্দোলনের ভিডিও ধারণ বা প্রচারের ক্ষেত্রে ইউটিউবারদের ওপর বিধিনিষেধ আরোপের অভিযোগও আদালতে তোলা হয়েছে।

সাংবাদিকদের পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখা বাধ্যতামূলক করা এবং বিভিন্ন এলাকায় ইন্টারনেট পরিষেবা সীমিত করার বিষয়টিও আইনজীবীদের বক্তব্যে উঠে এসেছে।

বিক্ষোভের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ

এদিকে, ১০ অক্টোবরের কর্মসূচি আয়োজনের জন্য ককরোচ জনতা পার্টিকে অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। দিল্লি পুলিশের যুগ্ম কমিশনার নূপুর প্রসাদ জানান, নিয়ম অনুযায়ী, বিক্ষোভের অনুমতি চেয়ে অন্তত ১০ দিন আগে আবেদন করতে হয়। কিন্তু আয়োজকেরা ৭ অক্টোবর আবেদন করায় নির্ধারিত সময়সীমা মানা হয়নি। এ ছাড়া অতীতে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটার আশঙ্কার কথাও উল্লেখ করেছে পুলিশ। বিক্ষোভে অংশ না নিতে সাধারণ মানুষকে পরামর্শ দিয়ে বিশেষ নির্দেশিকা জারির কথাও জানা গেছে।

কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা ছাত্র-যুব সংগঠনগুলোর

অন্যদিকে, ছাত্র ও যুব সংগঠনগুলোর দাবি, প্রশাসনিক বাধা দিয়ে আন্দোলন বন্ধ করা যাবে না। সব বাধা অতিক্রম করে ১০ অক্টোবর দিল্লিতে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হয়ে নিজেদের দাবি তুলে ধরবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন আয়োজকেরা।

জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত এই কর্মসূচিকে ঘিরে এখন সবার নজর সুপ্রিম কোর্টের শুনানি, দিল্লি পুলিশের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং দূরপাল্লার রেল চলাচলের পরিস্থিতির দিকে।

সূত্র: আনন্দবাজার অনলাইন

এআরবি

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন