ইরান যুদ্ধের জেরে যুক্তরাষ্ট্রের তেলের মজুত ৪৪ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন

ইরান যুদ্ধের জেরে যুক্তরাষ্ট্রের তেলের মজুত ৪৪ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন
ছবি: এবিসি নিউজ

যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত তেলের মজুত ১৯৮২ সালের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে। দেশটির জ্বালানি বিভাগের (ডিওই) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, তেলের মজুত কমে ২৮৬ দশমিক ৬ মিলিয়ন ব্যারেলে দাঁড়িয়েছে।

বিশ্বব্যাপী তেল সরবরাহে বড় ধরনের সংকটের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র জরুরি মজুত থেকে তেল ছাড়ায় দেশটিতে পেট্রলের দাম গ্যালনপ্রতি ৪ ডলারের ওপরে উঠেছে এবং মূল্যস্ফীতির চাপও বেড়েছে। ওমান উপকূলে একটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার খবরের পর মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম একপর্যায়ে প্রতি ব্যারেলে ৯২ ডলারের ওপরে উঠে যায়।

বিজ্ঞাপন

১৯৭০-এর দশকের শুরুর দিকে আরব তেল নিষেধাজ্ঞার কারণে সৃষ্ট জ্বালানি সংকটের পর কৌশলগত পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ প্রতিষ্ঠিত হয়। এর উদ্দেশ্য হলো যুক্তরাষ্ট্রকে আকস্মিক সরবরাহ সংকট থেকে রক্ষা করা।

লুইজিয়ানা ও টেক্সাসের উপকূলীয় এলাকায় ভূগর্ভস্থ লবণগুহায় এই তেল সংরক্ষণ করা হয়। এর সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা প্রায় ৭১৪ মিলিয়ন ব্যারেল।

ইরান যুদ্ধ শুরুর পর ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা সদস্য দেশগুলোকে সম্মিলিতভাবে ৪০০ মিলিয়ন ব্যারেল মজুত তেল বাজারে ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এর অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ১৭২ মিলিয়ন ব্যারেল ছাড়ার ঘোষণা দেয়। এ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ১২৮ মিলিয়ন ব্যারেল তেল মজুত থেকে বাজারে ছেড়েছে।

এর আগে ২০২২ সালে রাশিয়ার ইউক্রেন অভিযানকে কেন্দ্র করে তেলের দাম বাড়লে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ছয় মাসে ১৮০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল ছাড়ার অনুমোদন দিয়েছিলেন।

সূত্র: এবিসি নিউজ

আরএ

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন