আন্তর্জাতিক জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা আইন (আইইইপিএ) ব্যবহার করে ব্যাপক হারে শুল্ক আরোপে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেছেন—এমন রায় দিয়েছেন মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট। শুক্রবার ছয়-তিন ভোটে দেওয়া এ রায়ে বলা হয়, আইইইপিএ প্রেসিডেন্টকে শুল্ক আরোপের ক্ষমতা প্রদান করে না।
সুপ্রিম কোর্ট তার পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করে, কংগ্রেস যদি আইইইপিএর মাধ্যমে প্রেসিডেন্টকে শুল্ক আরোপের ‘স্বতন্ত্র ও অসাধারণ ক্ষমতা’ দিতে চাইত, তবে তা স্পষ্টভাবে আইনে উল্লেখ করত—যেমনটি অন্যান্য শুল্কসংক্রান্ত আইনে করা হয়েছে।
গত বছর পুনরায় ক্ষমতায় ফেরার পর ট্রাম্প জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় সব বাণিজ্য অংশীদারের ওপর নতুন শুল্ক আরোপ করেন। এর মধ্যে কথিত “অন্যায্য” বাণিজ্য চর্চার জবাবে আরোপিত পারস্পরিক শুল্ক ছাড়াও মেক্সিকো, কানাডা ও চীনের ওপর আলাদা শুল্ক অন্তর্ভুক্ত ছিল। এসব শুল্ক অবৈধ মাদক প্রবাহ ও অভিবাসন নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে সম্পর্কিত বলে প্রশাসনের দাবি ছিল।
তবে সুপ্রিম কোর্টের এ রায় ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম ও অন্যান্য নির্দিষ্ট খাতে পৃথকভাবে আরোপিত শুল্কের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। এসব খাতে ভবিষ্যতে আরো শুল্ক আরোপের সম্ভাবনা নিয়ে আনুষ্ঠানিক তদন্ত চলমান রয়েছে।
এর আগে নিম্ন আদালতগুলোও আইইইপিএর আওতায় আরোপিত শুল্ককে অবৈধ ঘোষণা করেছিল। মে মাসে একটি ফেডারেল বাণিজ্য আদালত ট্রাম্পের আরোপিত বিস্তৃত শুল্ক কার্যকর করা স্থগিত করে। তবে সরকার আপিল করলে সেই সিদ্ধান্ত সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়। সর্বশেষ সুপ্রিম কোর্টের রায়ের মাধ্যমে নিম্ন আদালতের অবস্থান বহাল থাকল।
এ রায় ট্রাম্পের অর্থনৈতিক নীতিতে একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে, কারণ শুল্ক ছিল তার বাণিজ্য কৌশলের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


ফিলিস্তিনি ঐতিহ্যের অংশ আল-আকসা, তবু সীমিত প্রবেশাধিকার
বোর্ড অব পিসের আড়ালে গাজায় ৩৫০ একরের মার্কিন ঘাঁটি নির্মাণের ষ/ড়/য/ন্ত্র!
ইরানে সীমিত সামরিক হামলার কথা ভাবছেন ট্রাম্প