তিন বছর কোমায় থাকার পর মারা গেলেন থাই রাজকুমারী

আমার দেশ অনলাইন
আমার দেশ অনলাইন

তিন বছর কোমায় থাকার পর মারা গেলেন থাই রাজকুমারী

তিন বছরেরও বেশি সময় কোমায় থাকার পর মারা গেছেন থাইল্যান্ডের রাজকুমারী বাজরাকিতিইয়াভা । শুক্রবার সকালে রাজপ্রাসাদের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ৪৮ মিনিটে ব্যাংককের চুলালংকর্ন হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে কুকুরদের নিয়ে ব্যায়াম করার সময় তিনি হঠাৎ অচেতন হয়ে পড়েন। চিকিৎসকদের মতে, হৃদযন্ত্রে মাইকোপ্লাজমা সংক্রমণের কারণে সৃষ্ট গুরুতর অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের ফলে কোমায় চলে যান তিনি।

বিজ্ঞাপন

রাজপ্রাসাদ জানায়, চিকিৎসক দল সর্বোচ্চ ও নিবিড় চিকিৎসা সেবা দিলেও তার শারীরিক অবস্থার ক্রমাগত অবনতি ঘটতে থাকে। রাজকুমারী বাজরাকিতিইয়াভা ছিলেন থাইল্যান্ডের রাজা ভাজিরালংকর্নেরের সাত সন্তানের মধ্যে জ্যেষ্ঠ। ১৯৭৮ সালের ৭ ডিসেম্বর তিনি রাজকুমারী সোমসাওয়ালির গর্ভে জন্মগ্রহণ করেন।

রাজকুমারী বিশেষভাবে কারাগার সংস্কার এবং নারী বন্দিদের অধিকার নিয়ে কাজের জন্য পরিচিত ছিলেন।

২০২১ সালে তার বাবা তাকে ব্যক্তিগত দেহরক্ষী বাহিনীর প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেন এবং জেনারেলের পদমর্যাদা প্রদান করেন। রাজকুমারী বজরকিতিয়াভা ক্রীড়াপ্রেমী হিসেবেও পরিচিত ছিলেন এবং নিয়মিত দীর্ঘ দূরত্বের দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশ নিতেন।

তার দক্ষতা ও রাজা ভাজিরালংকর্নের আস্থার কারণে দীর্ঘদিন ধরেই তাকে থাইল্যান্ডের সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে বিবেচনা করা হতো। যদিও দেশটির প্রচলিত রীতিতে সিংহাসনের উত্তরাধিকারী সাধারণত পুরুষ হন। তবে ১৯৭৪ সালের সাংবিধানিক সংশোধনী অনুযায়ী একজন নারীও সিংহাসনে বসতে পারেন।

সূত্র: বিবিসি

আরএ

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন