ফ্রান্সজুড়ে বিক্ষোভ-সংঘর্ষ, হাইস্কুল বন্ধ ঘোষণা

ফ্রান্সজুড়ে বিক্ষোভ-সংঘর্ষ, হাইস্কুল বন্ধ ঘোষণা
ছবি: সংগৃহীত

শিক্ষাব্যবস্থায় সংস্কারের দাবিতে চলমান বিক্ষোভ ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের জেরে ফ্রান্সজুড়ে চলতি সপ্তাহের বাকি দিনগুলোর জন্য হাইস্কুলের ক্লাস স্থগিত করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকর্নু।

মঙ্গলবার দেশটির বিভিন্ন শহরে প্রায় আড়াই লাখ মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেয় বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। তবে আয়োজকদের দাবি, বিক্ষোভকারীর সংখ্যা ছিল প্রায় পাঁচ লাখ। প্রায় দুই হাজার উচ্চবিদ্যালয় অবরুদ্ধ বা বন্ধ ছিল বলে জানিয়েছে হাইস্কুল শিক্ষার্থীদের সংগঠন।

বিজ্ঞাপন

শিক্ষার্থীরা অনুপস্থিত শিক্ষকদের দ্রুত নিয়োগ, দীর্ঘতর মধ্যাহ্ন বিরতি, স্কুলের দৈনিক সময়সূচিতে পরিবর্তন এবং জরাজীর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সংস্কারের দাবি জানিয়েছে। প্যারিসসহ মার্সেই, নঁত, লিওঁ, স্ট্রাসবুর্গ ও রেঁনে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। কয়েকটি এলাকায় পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে; বিক্ষোভকারীদের কেউ আগুন জ্বালানো ও পুলিশের দিকে বিভিন্ন বস্তু নিক্ষেপ করে।

ফ্রান্স সরকার বলছে, বিক্ষোভের সুযোগ নিয়ে কিছু এলাকায় সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে। লেকর্নু বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুড়িয়ে পরিস্থিতির উন্নতি হবে না। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো পর্যালোচনা করে অক্টোবরের শেষ নাগাদ পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

সরকারের তথ্য অনুযায়ী, বিক্ষোভ শুরুর পর প্রায় ছয় হাজার ১০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যাদের বেশিরভাগের বয়স ১৮ বছরের নিচে। এক হাজার ৮০০-এর বেশি মানুষের বিরুদ্ধে মামলা হতে পারে। সংঘর্ষে অন্তত ২১৫ কিশোর ও ৭১৫ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

এদিকে লেন্স শহরে সোমবার পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরের হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, সে একটি পুলিশ গ্রেনেড তুলে নেওয়ার পর ঘটনাটি ঘটে।

সূত্র: আল জাজিরা

আরএ

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন