বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাওয়া হিন্দু, শিখ ও জৈন শরণার্থীদের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ)-এর আওতায় আগামী ছয় মাসের মধ্যে ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছেন ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
শুক্রবার পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ির কাওয়াখালিতে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় এ ঘোষণা দেন তিনি।
অমিত শাহ বলেন, বাংলাদেশ থেকে নির্যাতনের কারণে ভারতে আসা যোগ্য হিন্দু, শিখ ও জৈন শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। আগামী ছয় মাসের মধ্যে তাদের নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া শেষ করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে।
তিনি বলেন, এসব শরণার্থীকে সম্মান ও মর্যাদার সঙ্গে ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরো জানান, সিএএর আওতায় নাগরিকত্বের আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য পশ্চিমবঙ্গের আটটি জেলার জেলা প্রশাসকদের প্রয়োজনীয় ক্ষমতা দিয়েছে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এর ফলে আবেদন যাচাই-বাছাই এবং নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া আরো ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
২০১৯ সালে ভারতের সংসদে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন পাস হয় এবং ২০২৪ সালে এর বিধিমালা কার্যকর করা হয়। আইনটির আওতায় বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় নিপীড়নের কারণে ভারতে যাওয়া হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারসি ও খ্রিস্টানদের নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ সাপেক্ষে ভারতীয় নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে আবেদনকারীদের ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ভারতে প্রবেশ করা থাকতে হবে।
শিলিগুড়ির অনুষ্ঠানে অমিত শাহ সিএএ বাস্তবায়নে কেন্দ্রের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করার পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গে অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ওপরো গুরুত্বারোপ করেন।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
এআরবি
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


