ইসরাইলের বহুস্তরীয় বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ত্রুটিমুক্ত নয়—এমন বাস্তবতা আবারও সামনে এলো বেইত শেমেশে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনায়। আজ রোববার সকালে জেরুজালেমের পশ্চিমে উপকূল বরাবর জাফা যাওয়ার পথে অবস্থিত বেইত শেমেশ শহরে একটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। এতে বেশ কয়েকটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যার মধ্যে একটি সম্পূর্ণরূপে ধসে পড়েছে। খবর আলজাজিরার।
ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ কমপক্ষে নয়জন নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছে। উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবিতদের সন্ধানে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছেন।
হামলার আগে সতর্কতামূলক সাইরেন বাজেনি বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে। ইসরাইলি সামরিক বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বেইত শেমেশে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেন ব্যর্থ হয়েছে তা তদন্ত করা হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইসরাইলের বহুস্তরীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা—যার মধ্যে বিভিন্ন স্তরের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ প্রযুক্তি রয়েছে—সবসময় শতভাগ সফল নয় এবং ইসরাইলি শহরগুলোর দিকে ছোড়া প্রতিটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা সম্ভব হয় না। চলমান উত্তেজনার সময় এবং জুন মাসে ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে পূর্ববর্তী আক্রমণ শুরু করার পরও তেল আবিবসহ অন্যান্য শহরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
ইরান ইতোমধ্যে দেখিয়েছে যে তারা ব্যালিস্টিক ও অন্যান্য ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করতে সক্ষম, যা ইসরাইলি শহরগুলোর কেন্দ্রে আঘাত হানতে পারে এবং উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি ঘটাতে পারে—শুধু স্থাপনা নয়, প্রাণহানিও ঘটছে।
পর্যবেক্ষকদের মতে, এ ঘটনা ইসরাইলি সরকার যে অজেয়তা, নিয়ন্ত্রণ ও ইরান সরকারের ওপর টেকসই চাপ বজায় রাখার ভাবমূর্তি তুলে ধরার চেষ্টা করছে, তার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

