গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার বরমী বাজারসংলগ্ন পাইটাল বাড়ি এলাকায় বরমী ব্রিজ ও সড়ক অধিগ্রহণের টাকা নিয়ে হয়রানি, চাঁদাবাজি ও হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১১টায় পাইটাল বাড়ির ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে নারী-পুরুষসহ কয়েক শতাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
এ সময় বক্তারা প্রকৃত জমির মালিকদের অধিগ্রহণের টাকা প্রাপ্তি নিশ্চিত করা, হয়রানি ও অনৈতিকভাবে টাকা দাবি বন্ধ এবং চাঁদাবাজি ও হুমকির অভিযোগ তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, বরমী ব্রিজ ও সড়ক নির্মাণের জন্য অধিগ্রহণ করা জমির টাকা নিয়ে স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে প্রকৃত মালিকদের হয়রানি ও অনৈতিকভাবে টাকা দাবি করার অভিযোগ রয়েছে।
মানববন্ধনের ব্যানারে মোবারক, হৃদয়, মকবুল, কবির, ইব্রাহিম ও আব্দুর রাজ্জাকের নাম উল্লেখ করে তাদের বিরুদ্ধে প্রকৃত জমির মালিকদের অধিগ্রহণের টাকা নিয়ে হয়রানি বন্ধের দাবি জানানো হয়।
ভুক্তভোগী সোহেল মিয়া বলেন, “অধিগ্রহণের টাকা প্রকৃত জমির মালিকদের প্রাপ্য। জমি যার, তার অধিকার অনুযায়ী টাকা পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। কেউ যেন ভয়ভীতি দেখিয়ে বা অনৈতিকভাবে টাকা দাবি করে প্রকৃত মালিকদের হয়রানি করতে না পারে, সেজন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।”
ফারুক মিয়া বলেন, “যারা জমি দিয়ে অধিগ্রহণের টাকা পাওয়ার অধিকারী, তাদের কোনোভাবেই চাপ বা হয়রানির মধ্যে রাখা উচিত নয়। বিষয়টি সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করে প্রকৃত মালিকদের টাকা বুঝিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি চাঁদাবাজি ও হুমকির অভিযোগেরও তদন্ত করা প্রয়োজন।”
মঞ্জুরুল বলেন, “আমরা চাই, অধিগ্রহণের টাকা নিয়ে প্রকৃত জমির মালিকদের যেন কোনো ধরনের হয়রানির শিকার হতে না হয়। জমি যার, অধিগ্রহণের টাকা পাওয়ার অধিকারও তার। কেউ যদি জোরপূর্বক টাকা দাবি করে, ভয়ভীতি দেখায় বা চাঁদা দাবি করে, তাহলে প্রশাসনের মাধ্যমে বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার চাই।”
লিটন মিয়া বলেন, “আমাদের জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে, কিন্তু সেই টাকা পাওয়ার ক্ষেত্রে নানা ধরনের জটিলতা ও চাপের মুখে পড়তে হচ্ছে। প্রকৃত মালিকদের টাকা নিয়ে কেউ যাতে অনৈতিকভাবে সুবিধা নিতে না পারে, সে বিষয়ে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। যারা চাঁদাবাজি বা হুমকির সঙ্গে জড়িত, তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।”
এমএইচ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

-452c30.jpg)