যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে ইসলামাবাদের বিলাসবহুল সেরেনা হোটেলে, যা শহরের সবচেয়ে সুরক্ষিত স্থাপনাগুলোর একটি হিসেবে পরিচিত। খবর আলজাজিরার।
২০০৮ সালে কাছাকাছি ম্যারিয়ট হোটেলে ভয়াবহ হামলার ঘটনা থাকলেও, নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে সেরেনা হোটেল তার সুসংগঠিত ও শক্তিশালী নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্যই এ ধরনের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে।
হোটেলটির মনোরম পরিবেশ ও মুরিশ ধাঁচের স্থাপত্যের আড়ালে রয়েছে বহুস্তরবিশিষ্ট নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সাবেক ইসলামাবাদ পুলিশ প্রধান তাহির আলম খান জানান, এখানে কর্মরত নিরাপত্তা কর্মীদের অধিকাংশই অবসরপ্রাপ্ত নিরাপত্তা কর্মকর্তা, যারা ভালোভাবে প্রশিক্ষিত।
তিনি বলেন, প্রবেশ ও প্রস্থানের পথগুলো মূল ভবন থেকে যথেষ্ট দূরে রাখা হয়েছে, যা নিরাপত্তা আরও জোরদার করে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ও পার্লামেন্ট হাউসসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানের কাছাকাছি অবস্থান হওয়ায় যাতায়াতও সহজ।
সরকারি একটি সূত্র জানায়, প্রায় ৬ হেক্টর (১৫ একর) জায়গাজুড়ে বিস্তৃত এই হোটেলে ৪০০টির বেশি কক্ষ, একাধিক ভোজসভা হল, সম্মেলন কক্ষ ও অফিস কমপ্লেক্স রয়েছে। ফলে ১৫০ জনের বেশি সদস্যবিশিষ্ট যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদলকে একসঙ্গে রাখার জন্য এটি উপযুক্ত স্থান।
দেশটির সাবেক পুলিশ প্রধান কালিম ইমাম বলেন, ‘এখানে বহুস্তরীয় কঠোর নিরাপত্তা তল্লাশি রয়েছে এবং রাষ্ট্রের নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর সঙ্গে শক্ত সমন্বয় বজায় রাখা হয়।’
সব মিলিয়ে, উচ্চ পর্যায়ের কূটনৈতিক আলোচনার জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও অবকাঠামোগত সুবিধা থাকায় সেরেনা হোটেলকে উপযুক্ত স্থান হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

