তেহরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো যুদ্ধ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য ‘একটি শিক্ষা’ হিসেবে কাজ করবে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল আবদুর রহিম মুসাভি। তিনি বলেন, ট্রাম্প যদি যুদ্ধ চান তাহলে আলোচনার কথা বলা উচিত নয়। খবর টিআরটি ওয়ার্ল্ডের।
শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ইরানে শাসনব্যস্থার পরিবর্তনই ‘সবচেয়ে ভালো সমাধান’ হতে পারে। তিনি জানান, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে চলমান আলোচনা ব্যর্থ হলে বিশ্বের বৃহত্তম বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ড শিগগিরিই ওই অঞ্চলে যাবে। ট্রাম্প বলেন, ‘যদি কোনো চুক্তি না হয়, তবে আমাদের এটির প্রয়োজন হবে।’
ট্রাম্পের এ মন্তব্যকে ‘বেপরোয়া’ বলে বর্ণনা করেছেন মুসাভি। এই মাসের শুরুতে দুই পক্ষের মধ্যে চলমান আলোচনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ট্রাম্প যদি যুদ্ধ করতে চান, তাহলে তার আলোচনার কথা বলা উচিত নয়।
এরআগে ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়াতে একমত হন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
একজন জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তার জানান, ‘আমরা ইরানের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগ করার বিষয়ে একমত হয়েছি, বিশেষ করে চীনের কাছে ইরানের তেল বিক্রির ক্ষেত্রে।’
তবে এই লক্ষ্য অর্জনের পদ্ধতি নিয়ে দুই নেতার মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে। নেতানিয়াহু ট্রাম্পকে বলেছিলেন, ইরানের সঙ্গে নির্ভরযোগ্য চুক্তি সম্ভব নয় এবং চুক্তি হলেও তা লঙ্ঘিত হবে। তবে ইরানের সঙ্গে চুক্তি করা সম্ভব বলে বিশ্বাস করেন ট্রাম্প।
আরএ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


ট্রাম্পের শান্তি বোর্ডের সভায় যোগ দিচ্ছেন আলবেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী
ইসরাইলি বাহিনীর একটি বড় অংশ দ্বৈত নাগরিক